স্কুলের ভেতরেই রহস্যজনক মৃত্যু উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। মৃত ওই ছাত্রীর নাম রানিজা পারভিন। লাভপুরের নবোদয় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়া সে। সেই স্কুল থেকে উদ্ধার হয় তার ঝু’ল’ন্ত দেহ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়।
জানা গিয়েছে, রানিজা আসলে ময়ুরেশ্বরের পরজা পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে লাভপুরের নবোদয় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে থেকে পড়াশোনা করত। সেখানেই থাকত সে। শোনা গিয়েছে, স্কুলের ভিতরে রানিজার ঝু’ল’ন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।
রানিজার মা তাজমীরা বিবি জানিয়েছেন যে সকাল সাতটা নাগাদ স্কুলের তরফে ফোন করা হয় তাঁকে। বলা হয়, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
মেয়ের এমন খবর পেয়েই লাভপুরে পৌঁছন তাজমীরা বিবি। হাসপাতালে গিয়ে মেয়ের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন তিনি। তাজমীরা বিবির কথায়, তাঁর মেয়ের গলায় ক্ষতচিহ্ন ছিল। গলায় ফাঁস লাগালে এমন চিহ্ন হয়। মেয়ের মৃত্যুর জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করেছেন তাজমীরা বিবি।
লাভপুরের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে রানিজার স্থানীয় অভিভাবক হিসেবে নথিভুক্ত করা ছিল রানিজার পিসতুতো দাদা শেখ সফিউল্লার নাম। তিনি জানিয়েছেন যে রানিজা স্কুলে ভালো রেজাল্ট করত। তার আচরণেও কোনও অস্বাভাবিকতা ছিল না। কেন এমন হল, কিছুই বুঝতে পারছেন না তিনি।
ঘটনার কথা জানাজানি হওয়ার পর ময়ুরেশ্বর থেকে লাভপুর নবোদয় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের সামনে জড়ো হন বেশ কিছু মানুষ। সেই সময় স্কুলে পরীক্ষা চলছিল বলে বিক্ষোভ দেখান নি তারা। তবে কীভাবে রানিজার মৃত্যু ঘটল, তা জানানোর দাবী করেন তারা। এই ঘটনা প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।





