আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল। পূর্বাভাস মিলিয়ে চলতি সপ্তাহে তুমুল বৃষ্টিতে ভাসলো উত্তরবঙ্গ। আর প্রবল বৃষ্টির জেরে তিস্তায় দেখা দিয়েছে জলস্ফীতি। জারি হয়েছে হলুদ সতর্কবার্তা।
সিকিমের পাহাড়ে অবিরাম বৃষ্টির জেরে তিস্তায় জলস্ফীতি দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে তিস্তার দোমহনী থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত অসংরক্ষিত অঞ্চলে জারি হয়েছে হলুদ সতর্কবার্তা। এমনটাই জানিয়েছে উত্তরবঙ্গ বন্যা নিয়ন্ত্রণ দফতর।
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই গজলডোবা তিস্তা ব্যারাজ থেকে ২২৩২.৬৮ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে।জোড়া ঘূর্ণাবর্তের ফলে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছে জলপাইগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টাও বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তর-পশ্চিম রাজস্থান থেকে দক্ষিণ বিহার পর্যন্ত তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখার। পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে আরও একটি শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরেই আগামী ২৪ ঘণ্টা বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে উত্তরবঙ্গে। শুধু যে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি হবে এমনটা নয়, সিকিমেও সমানতালে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। একনজরে দেখে নিন গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ-
জলপাইগুড়ি- ১৭.৮০ মিলিমিটার
আলিপুর দুয়ার- ২৯০.৬০ মিলিমিটার
কোচবিহার- ২৬২.৬০ মিলিমিটার
শিলিগুড়ি- ১৯.০০ মিলিমিটার
মালবাজার- ৩০.৪০ মিলিমিটার
ময়নাগুড়ি- ৫৫.০০ মিলিমিটার
তুফানগঞ্জ- ২৩৫.৬০ মিলিমিটার
মাথাভাঙা – ১৬৬.৮০ মিলিমিটার
হাসিমারা- ৬৯.০০ মিলিমিটার





