Hooghly youth faced Kanchenjunga Express accident saved life of 5: এই সপ্তাহের শুরুটাই হয়েছিল এক ভয়ানক স্মৃতি দিয়ে। গত সোমবার ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে। পিছন থেকে এসে ধাক্কা দেয় মালগাড়ি। সেই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় একাধিকের। দুর্ঘটনার কবলে পড়ে গুরুতর জখম হয়েও ৫ জনকে উদ্ধার করেছিলেন তন্ময় ঘোষ ও সৌনক আহা নামের দুই যুবক (Hooghly youth faced Kanchenjunga Express accident saved life of 5)।
গত ১৭ জুন সকাল প্রায় পৌনে ন’টা নাগাদ নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন ছেড়ে রাঙাপানি ও চাটারহাট স্টেশনের মাঝে নিজবাড়িতে পৌঁছয় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। সেই সময় ওই ট্রেনে পিছন থেকে ধাক্কা মারে একটি মালগাড়ি। এক্সপ্রেস ট্রেনের পিছনের দুটি লাইনচ্যুত হয়। মালগাড়ির ইঞ্জিনের উপর উঠে যায় একটি কামরা।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ১১ জনের। আহত হয়েছেন একাধিক। আহতদের মধ্যে রয়েছেন হুগলির ধনেখালির তন্ময় ঘোষ ও সৌনক সাহা। নিজেরা গুরুতর জখম হওয়া সত্ত্বেও মানবিকতা ভোলেন নি তারা। ট্রেনের আরও পাঁচজন বিপদগ্রস্তদের উদ্ধার করেন ওই যুবকরা (Hooghly youth faced Kanchenjunga Express accident saved life of 5)। তারপর থেকেই ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। আজ, শনিবার অবশেষে বাড়ি ফেরেন তারা।
দুর্ঘটনার পর উত্তরবঙ্গে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে আহতদের সঙ্গে কথা বলার সময় জানতে পারেন হুগলির ধনেখালির এই দুই যুবকের কথা (Hooghly youth faced Kanchenjunga Express accident saved life of 5)। সেখান থেকেই বিধায়ক অসীমা পাত্রকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জখমদের পরিবারের পাশে থাকার নির্দেশ দেন তিনি। নির্দেশ অনুযায়ী, বিডিও ও ওসিকে সঙ্গে নিয়ে আহতদের বাড়ি দেখা করতে গিয়েছিলেন অসীমা পাত্র। আহতদের পরিবারকে সাহায্যও করা হয় (Hooghly youth faced Kanchenjunga Express accident saved life of 5)।
এদিন হাসপাতাল থেকে ফিরে সেদিনের দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে তন্ময় ঘোষ জানান, “সেদিন ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর বেঁচে ফিরব ভাবিনি। পিছন থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে মালগাড়ি ধাক্কা মারে। জেনারেল কামরায় ছিলাম। হঠাৎই জোরে একটি ঝাঁকুনি লাগে। ট্রেনটি লাইন থেকে নেমে যায়। আর কিছু বুঝতে পারিনি। জখম অবস্থায় পাঁচজনকে ওই কামরা থেকে উদ্ধার করি। বন্ধু সৌণক পড়ে গিয়েছিল। তাঁকে উদ্ধার করি। এমন সময় রাঙাপানি এলাকার স্থানীয়রা চলে আসেন। তাঁরা উদ্ধার কাজে হাত লাগান। আমাদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেদিনের অভিজ্ঞতা কখনই ভুলতে পারব না” (Hooghly youth faced Kanchenjunga Express accident saved life of 5)।





