ফের তৎপর কেন্দ্রীয় সংস্থা। সকাল সকাল আসানসোলে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হানা দিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। এদিন ভোর ৫টায় সোহরাব আলির বাড়িতে পৌঁছে যান আধিকারিকরা। তাঁকে ঘুম থেকে তুলেই চলতে থাকে তল্লাশি। তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের বাড়ি ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
কে এই সোহরাব আলি?
এই সোহরাব আলি হলেন আসানসোলের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। পেশায় লোহার ব্যবসা করতেন তিনি। বার্ণপুর ইস্পাত কারখানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। একটা সময় বাম রাজনীতি করতেন এই সোহরাব আলি। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিকবার অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে।
২০১১ সালে আরএসপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। সেই বছর বিধানসভা ভোটে জিতে রানিগঞ্জের বিধায়ক হন। ২০১৬ সালে ফের তাঁকে টিকিট দিয়েছিল তৃণমূল। তবে সেইব সময় সোহরাব আলির বিরুদ্ধে মামলা চলছিল। সেই কারণে নির্বাচনে লড়তে পারেন নি তিনি।
তবে সেই সময় তাঁর স্ত্রী নার্গিস বানু ওই আসন থেকে লড়েন। কিন্তু জিততে পারেন নি। বর্তমানে তিনি কাউন্সিলর। সোহরাব আলি এখন প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। আজ, বুধবার সকালে আচমকাই তাঁর বাড়িতে হানা দেন আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা। এখনও চলছে তল্লাশি।
জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র সোহরাব আলির বাড়ি নয়, এদিন বার্ণপুরের একাধিক এলাকাতেই তল্লাশি চালাচ্ছে আয়কর দফতরের নানান দল। ধরমপুরের এক লোহা ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ আহমেদের বাড়িতেও হাজির হয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এমনভাবে আচমকা কাকভোরে বার্ণপুরে একাধিক জায়গায় আয়কর হানার ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়।





