আর জি কর থেকে শুরু করে জয়নগর, পটাশপুর, নিউ টাউন গত কয়েকদিনে রাজ্যের একাধিক প্রান্ত থেকে উঠে আসছে ধর্ষণের ঘটনা। ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা যেন প্রতিদিনই ঘটে চলেছে রাজ্যে। এমন নানান ঘটনার জেরে উত্তাল রাজ্য। প্রতিবাদ-আন্দোলন চলছে রাজ্যের নানান প্রান্তে। এবার অভিযোগ উঠল, সব জায়গার ধর্ষকরাই নাকি তৃণমূলের লোক।
শুরু হয়েছে দুর্গাপুজো। আজ, মঙ্গলবার মহাপঞ্চমী। তবে উৎসবের মধ্যেও জারি আর জি কর ও নানান ধর্ষণের ঘটনার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। এরই মধ্যে সন্দেশখালিতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক বিস্ফোরক দাবী করেন। তাঁর দাবী, সব জায়গার ধর্ষকরা তৃণমূলের লোক।
এদিন উদ্বোধন অনুষ্ঠান থেকে শুভেন্দু মহিলাদের উদ্দেশে বলেন, “ঝাঁটা ধরুন। ব্লিচিং – ফিনাইল দিয়ে সাফ করুন। মমতাকে সাফ না করলে আমাদের কোনও মেয়ে, দিদি, মা, বোন কেউ সুরক্ষিত না। সব জায়গায় ধর্ষকরা তৃণমূলের লোক”।
গতকাল, সোমবার আর জি কর কাণ্ডের চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। সেই ঘটনায় শুভেন্দু বলেন, “৬০ দিনের মধ্যে চার্জশিট না দিলে সঞ্জয় রায় জামিন পেয়ে যাবে। এর পরে অনেকগুলো সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিট হবে। সিবিআইকে দেওয়া হয়েছে ৫ দিন পরে। ধর্ষণের প্রমাণ লোপাট করে এই কেসটা সিবিআইয়ের হাতে দেওয়া হয়েছে। সিবিআই খুব ভালো কাজ করছে। সুপ্রিম কোর্ট নজরদারি করছে। আমরা সিবিআইয়ের ওপর ভরসা রাখি। তারা যদি মনে করে যে ধর্ষণে আর কেউ জড়িত নয় আমরা মেনে নেব। তবে তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও ধর্ষকদের বাঁচানোর যে চেষ্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিনীত গোয়েল, সন্দীপ ঘোষরা করেছেন এর বিরুদ্ধে সিবিআই যেন কড়া ব্যবস্থা নেয়”।
আরও পড়ুনঃ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, ভাঙা হল পুলিশের গাড়ি, জনতার রোষের মুখে পড়ে পালালেন এসডিপিও, ফের উত্তপ্ত জয়নগর
বলে রাখি, আর জি কর ঘটনার ৫৮ দিনের মাথায় গতকাল, সোমবার শিয়ালদহ আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। এই চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় মূল চক্রী ধৃত সঞ্জয় রাই। কীভাবে সে এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা বিস্তারিত জানিয়েছে সিবিআই চার্জশিটে। এই চার্জশিটে আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলেরও নাম রয়েছে। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।





