হুগলির গোঘাটে স্টেশন থেকে অনতিদূরে রবিবার সকালে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বিজেপি কর্মী গণেশ রায়ের (Ganesh Roy) দেহ। পরিবারের অভিযোগ শনিবার রাতে এই বিজেপি (BJP) কর্মীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূলের (TMC) কর্মীরা। যদিও শাসক শিবিরের অভিযোগ গোটা ঘটনাটি গোষ্ঠী কোন্দল। এবার এই উত্তেজনার মধ্যেই গোঘাটে খবর সংগ্রহে গিয়ে প্রহৃত হলেন সাংবাদিকরা (Journalists)। ৪ জন সাংবাদিককে প্রবল মারধর করা হয়, অভিযোগ মেরেছেন তৃণমূলের লোকেরাই। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে।
ঘটনার সূত্রপাত রবিবার দুপুরে। দলীয় কর্মীকে খুনের অভিযোগে গোঘাটে রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশ অবরোধকারীদের আশ্বাস দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার পর সেখানে তৃণমূল কর্মীরা জড়ো হন। সাংবাদিকরা সেই জমায়েতের ছবি তুলতে গেলে তারা বাধা দেন এবং মারতে শুরু করেন সাংবাদিকদের। ঘটনায় ৪ জন সাংবাদিক গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরামবাগের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে।
গোটা ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ বিজেপি উচ্চ নেতৃত্ব। বিজেপি রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু (Sayantan Basu) তৃণমূলকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, মোদী-শাহের নির্দেশ পেলে একদিনে বন্ধ করে দেওয়া হবে তৃণমূলের সব পার্টি অফিস। অপরদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলছেন যে, এ হলো কু’কথার রাজনীতি। নেগেটিভ জিনিস দিয়ে রাজনীতি হয় না।
একুশের নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে গেরুয়া শিবিরের ওপর ধীরে ধীরে আক্রমণ বাড়াচ্ছে শাসক শিবির, বলছে ওয়াকিবহাল মহল। সেইসঙ্গে উঠছে আরও প্রশ্ন, এইভাবে কি বাংলায় পদ্ম ফুল ফোটা আটকাতে পারবে ঘাসফুল বাহিনী?





