রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে তদন্ত আরও জোরদার করেছে ইডি। বাকিবুর রহমান, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সম্পত্তি নিয়ে চলছে তল্লাশি। ইডি সূত্রে খবর, বাকিবুরের থেকে ৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
জানা গিয়েছে, ঋণ নেওয়ার কথা জেরাতে স্বীকারও করেছেন তিনি। কিন্তু এই বাকিবুরই যখন রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন, তখন জ্যোতিপ্রিয় বলেছিলেন যে তিনি বাকিবুরকে চেনেনই না। তাহলে অচেনা মানুষের থেকে কীভাবে ঋণ নিলেন মন্ত্রী? তা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।
জ্যোতিপ্রিয় জানিয়েছেন, ঋণ নেওয়া হয়েছিল, তবে সেই ঋণ তিনি নিজের নামে নেননি। ইডিকে মন্ত্রী জানিয়েছেন, সেই ঋণ নেওয়া হয়েছিল তাঁর কন্যা ও স্ত্রীর নামে। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে হয়েছিল গোটা প্রক্রিয়াটি। তবে প্রশ্ন উঠছে যে কেন কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ না নিয়ে এক চালকল মালিকের থেকে ঋণ নিতে গেলেন জ্যোতিপ্রিয়?
সূত্রের খবর, জ্য়োতিপ্রিয়কে ইতিমধ্যেই ইডির তদন্তকারীরা এই প্রশ্ন করেছেন। এই প্রশ্নও উঠছে যে জ্যোতিপ্রিয় যেটাকে ঋণ হিসাবে দেখাচ্ছেন, সেটা কী তাহলে দুর্নীতির টাকা? বাকিবুর যে প্রভাবশালীদের দুর্নীতির টাকা দিয়েছেন বলে শোনা গিয়েছে, এই টাকাই কী তাহলে সেই টাকা? এমন একগুচ্ছ প্রশ্ন এখন ঘুরছে।
আগামী সোমবার ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে জ্যোতিপ্রিয়র। এর আগে সামনে এল এই ৯ কোটি টাকা ঋণের ঘটনা। সেই নিয়ে এখন তদন্ত করছেন ইডি আধিকারিকরা। এই নিয়ে নতুন কোনও তথ্য মেলে কী না বা জ্যোতিপ্রিয় আগামী সোমবার জামিন পান কী না, এখন সেটাই দেখার।





