শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডি-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। কিন্তু এবার নিজের আইনজীবী মারফৎ তিনি অভিযোগ জানালেন যে ইডি নাকি তাঁর উপর চাপ প্রয়োগ করছে অভিযোগ স্বীকার করে নেওয়ার জন্য। তাঁকে জেরার সময় তাঁর আইনজীবী যাতে উপস্থিত থাকতে পারেন, এমনই আবেদন জানালেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র।
গত ৩১শে মে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে গ্রেফতার করে ইডি। তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষক ও অশিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অনেক তথ্য মিলেছে। সুজয়কৃষ্ণ ও তাঁর পরিচিত ও সংস্থার নামে প্রায় ৫০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমেই কালো টাকা সাদা করা হত বলে দাবী ইডির।
নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষ ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্ট থেকে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে কোনও টাকা লেনদেন হত কী না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মানিক ভট্টাচার্য ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও সুজয়কৃষ্ণর যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ। তাদের অ্যাকাউন্ট থেকেও সুজয়কৃষ্ণর অ্যাকউন্টে টাকা লেনদেন হয়েছে কী না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।
গতকাল, সোমবার সুজয়কৃষ্ণের আইনজীবী ইডিত বিশেষ আদালতে জানান যে ইডি আধিকারিকরা তাঁর মক্কেলের উপর অসাংবিধানিক চাপ দিচ্ছেন অভিযোগ স্বীকার করে নেওয়ার জন্য। সেই কারণে আইনজীবী আবেদন জানান, যাতে সুজয়কৃষ্ণকে জেরার সময় তাঁর আইনজীবী উপস্থিত থাকতে পারেন।
এদিন বিচারক জানান, আইন মোতাবেক অভিযুক্ত হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর আইনজীবী দেখা করতে পারেন। কিন্তু জেরার সময় সারাক্ষণ উপস্থিত থাকতে পারেন না তিনি। জেরার সময় দূর থেকে অভিযুক্তকে দেখতে পারবেন আইনজীবী। তবে তিনি জেরায় কী বলছেন, তা শুনতে পারবেন না।
এদিন দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারক জানান, অভিযুক্তর একজন আইনজীবী একদিন অন্তর আধঘণ্টার জন্য তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। তবে সেই সময়টি হবে অভিযুক্তর বয়ন নেওয়ার আগে অথবা পরে। দেখা করার আগে তদন্তকারী আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিতে হবে আইনজীবীকে।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!