দেশব্যাপী শুরু হয়েছে আনলক-২। এই সময় রাজ্যেও জারি রয়েছে লকডাউন আগামী ৩১ শে জুলাই পর্যন্ত। তবে রাজ্যে যে হারে করোনার উপদ্রব বাড়ছে তাতে আবার পূর্ণ লকডাউনের পথে চলতে পারে সরকার। জেলার মধ্যেও করোনার রমরমা দেখা গেছে। বিশেষ করে কলকাতা ও লাগোয়া জেলাগুলিতে পরিস্থিতি ক্রমশই ভয়াবহ হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতা সহ কয়েকটি এলাকাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তবে বস্তি নয়, কলকাতায় তথাকথিক অভিজাত পাড়াতেই সংক্রামিতের সংখ্যা বেশি পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে পুরসভা।
উত্তর থেকে দক্ষিণ, কলকাতার বিভিন্ন এলাকাতেই বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। এর মধ্যে যেমন রয়েছে আবাসন, পাকা বাড়ি আবার বস্তিও। কলকাতা পুরসভার তথ্য অনুসারে পাকা বাড়ি ও বহুতল আবাসনের তুলনায় বস্তিতে সংক্রমণের হার অনেক কম। সোমবার কলকাতায় যে ২৮১ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে তার মধ্যে মাত্র ১৩ জন বস্তির বাসিন্দা।
কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, বস্তিতে কেউ আক্রান্ত হলে তাঁকে নিজের দায়িত্বে করোনা হাসপাতালে ভর্তি করছে। এমনকি তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও সরকারি কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হচ্ছে। ফলে বস্তির মধ্যে সংক্রমণ আর ছড়াতে পারছে না।
কিন্তু আবাসনের ক্ষেত্রে এই চিত্র একদম আলাদা। সেখানে বাসিন্দারা অনেকে নিজে থেকেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তাদের পরিবারের সদস্যরা কেউ সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে যেতে চাইছেন না। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন বলছেন। আবার হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকেও অনেকেই নিয়ম কানুন মানছেন না। যার জন্যে আবাসনে সংক্রমণ বেশি ছড়াচ্ছে।





