প্রয়াত নেতাজী পরিবারের কৃষ্ণা বসু। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শনিবার সকাল ১০টা ২০ নাগাদ ইএম বাইপাসের ধারে অবস্থিত একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ১৯৩০ সালে ২৬ ডিসেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ভাইপো শিশির কুমার বসুর স্ত্রী ছিলেন তিনি। তাঁর দুই পুত্র সুগত বসু ও সুমন্ত বসু এবং এক কন্যা শর্মিলা বসু। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হওয়ার পর দীর্ঘদিন সিটি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন তিনি। দীর্ঘ ৮ বছর ছিলেন ওই কলেজেরই অধ্যক্ষা। শিক্ষাবিদ ও নেতাজি গবেষণা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হওয়ার পাশাপাশি এককালে যাদবপুর কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদও ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ থাকার পর এদিন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই দুই পুত্রের উপস্থিতিতে মৃত্যু হয় তাঁর। বসু পরিবারের পাশাপাশি কৃষ্ণাদেবীর বাবা চারুচন্দ্র চৌধুরী ছিলেন ভারতের সংবিধানের অন্যতম প্রনেতাদের মধ্যে একজন।
Krishna di was a mother to her son’s Sumantra & Sugata, daughter Sarmila as well as the whole Trinamool family.
Her immense contribution to Indian society & Bengali culture will be revered for times to come. (2/2)— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 22, 2020
স্বাভাবিকভাবেই তাঁর এই মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক মহল থেকে শিক্ষামহলে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকপ্রকাশ করে নিজের ট্যুইট বার্তায় জানিয়েছেন, ‘কৃষ্ণাদি শুধুমাত্র সুমন্ত্র, সুব্রত আর শর্মিলার মা নন, তিনি তৃণমূলের মা ছিলেন। ভারতীয় সমাজ তথা বাংলা সংস্কৃতিতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও লিখেছেন, ‘পরম শ্রদ্ধা ও ভালবাসার একজনকে আজ হারিয়ে ফেললাম। এই খবর আমার কাছে যতটা না দুঃখের তার চেয়ে বেশি আঘাতের। নেতাজির পরিবারের অন্যতম অংশীদার ছিলেন তিনি। সমাজ গড়ায় তাঁর কাজ সারাজীবন মানুষ মনে রাখবে।’





