রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। আগামী ৮ই জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ভোটে যাতে কোনও অশান্তির ঘটনা না ঘটে, সেই কারণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবী তোলা হয়েছে বিজেপির তরফে। এমন আবহে এবার এক বিস্ফোরক দাবী করলেন তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ্’র সঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার ছক কষা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সদ্যই রামনবমীতে একাধিক রাজ্যের জেলায় হিংসার ছবি উঠে এসেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, সেই হিংসার নেপথ্যে ছিল শুভেন্দু এবং শাহের গোপন ষড়যন্ত্র। আর এবার একই রকমভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেও ষড়যন্ত্র করছেন বিরোধী দলনেতা, এমনটাই দাবী কুণাল ঘোষের। রামনবমীর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেন্দুর গোপন বৈঠক এবং শুক্রবারের শুভেন্দু-শাহ গোপন বৈঠককে একই সঙ্গে বেঁধে এমন দাবী করলেন তৃণমূল মুখপাত্র।
কুণাল টুইট করে লেখেন, “ক্রোনোলজিটা বুঝুন। ২৭ মার্চ সংসদে শাহ-শুভেন্দু সাক্ষাৎ। ২৯ মার্চ শ্যামবাজারের ধরনা মঞ্চ থেকে শুভেন্দু হুমকি দেন, আগামিকাল কী হয় দেখবেন। ৩০ মার্চ রামনবমীকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হিংসা হয়। ৪ এপ্রিল, রামনবমীর মিছিলে বন্দুক দেখানো ১৯ বছর বয়সি যুবক সুমিত সাউকে পুলিশ গ্রেফতার করল, এবং সে স্বীকার করে নিল সে বিজেপি কর্মী”।
এই রামনবমীর ঘটনার সঙ্গেই এবার শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের যোগসূত্র টানলেন কুণাল। তাঁর কথায়, “শুক্রবার পোষ্যর সঙ্গে সঙ্গে প্রভুর যে গোপন বৈঠক হয়েছে তাতে রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটে অশান্তির ছক কষার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। আমরা কি রাজনীতির দাবা খেলায় হিংসা আর অশান্তি ছড়ানোর প্রথম পদক্ষেপের সাক্ষী থাকলাম”?
এরপরই কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে কুণাল বলেন, “ক্ষমতার লোভে বিজেপি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অবজ্ঞা করবে, সেটা আমরা হতে দেব না”।





