নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই একাধিকবার মুক্তির আবেদন জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। বিচারকের সামনে একাধিকবার কেঁদে ভাসিয়েছেন অর্পিতা। অন্যদিকে, পার্থ বারবার দাবী করেছেন যে তিনি নির্দোষ (innocent)। তাঁর উপর মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এই নিয়ে প্রশ্ন করাতে এবার চটে লাল হয়ে গেলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বললেন, “আমার সামনে ওনার নাম বলবেন না”।
গত বছর জুলাই মাসের শেষের দিকে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। সেই থেকে পার্থ রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে আর অর্পিতার ঠাঁই হয়েছে আলিপুর মহিলা জেলে। আজ, মঙ্গলবার পার্থ ও অর্পিতাকে ভারচুয়ালি আদালতে পেশ করা হয়। এদিন বিচারকের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে অর্পিতা। বলেন, “আমি তো কোনও রাজনীতির মধ্যে নেই। আমি রাজনীতি করি না। আমার এখানে গায়নোকোলজিক্যাল সমস্যা হচ্ছে। এখানে ঠিকঠাক পরিবেশ নেই। খুব সমস্যায় আছি”।
এদিন ফের একবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজের নানান সমস্যার কথা জানান আদালতে। আরও একবার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবী করেন তিনি। পার্থর অভিযোগ, এজেন্সি ব্যবহার করে তাঁর উপর মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে। এদিন জামিনের আর্জি জানান তিনি। তবে তাতে লাভের লাভ কিহছু হয়নি। শুনানি শেষে ফের পার্থ ও অর্পিতাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।
এদিন পার্থ-অর্পিতা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মেজাজ হারান তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজেকে নির্দোষ বলে দাবী করার ঘটনা প্রসঙ্গে কুণালের মন্তব্য, “উনি সমস্তটাই নাটক করছেন। একদম ওনার নাম বলবেন না আমার সামনে”। এর থেকে বেশ স্পষ্ট যে পার্থর পাশে আর কোনওভাবেই নেই তৃণমূল।
অন্যদিকে, পার্থর বলা মানসিক অত্যাচার প্রসঙ্গে বামনেতা তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “ওনার বাড়িতে ৫০ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। এখন এসব বলছেন। ভণ্ডামীর একটা সীমা থাকা দরকার”। বলে রাখা ভালো, এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়েছিল মানিক ভট্টাচার্যকে।





