এসএসসি (SSC) থেকে শুরু করে টেট (TET), এসএলএসটি, গ্রুপ ডি সব ক্ষেত্রেই নিয়োগে দুর্নীতির (corruption) অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে এমন দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্য সরকারকে (State Government) কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। পড়ুয়াদের জীবন নিয়ে খেলছে সরকার, এমন অভিযোগ উঠেছে।
এই নানান নিয়োগ দুর্নীতিতে রাজ্যের নানান নেতা-মন্ত্রীর নাম জড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির জেরে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী। বেই বিষয় নিয়ে বিরোধীরা ক্রমাগত তোপ দেগেছে রাজ্য সরকারকে।
আর এমন আবহে এবার তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ করে বসলেন এক বেফাঁস মন্তব্য যা শাসকদলের অস্বস্তি আরও কয়েকগুণ বাড়াল। বিরোধী দলগুলিকে আক্রমণ করতে গিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, “উপরতলার অনুরোধে অনেকসময় নিয়োগ করতে হয়”। এই ‘উপরতলা’ বলতে তিনি আসলে কাদের কথা বলতে চেয়েছেন, তা নিয়ে বেড়েছে জল্পনা।
আজ, শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে কুণাল ঘোষ বলেন, “বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে নিয়োগ প্রসঙ্গে যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করা হচ্ছে, তা উচিত নয়। বিরোধী দলগুলি একের পর এক আক্রমণ আমাদের দিকে ছুঁড়ে দিচ্ছে, এটা অনুচিত”।
আর এরপরই বেফাঁস মন্তব্য করে কুণাল বলেন, “উপরতলার অনুরোধে অনেক সময় নিয়োগ করতে হয়। বেশি ঘাঁটতে যাবেন না, তাহলে অনেক কিছু বের হয়ে যেতে পারে”। এই ‘উপরতলা’ বলতে কী কুণাল আসলে দলের শীর্ষনেতাদের দিকে বল ঠেলে দিতে চাইলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে শোরগোল।
এদিন প্রথম থেকেই বিজেপি এবং সিপিএম-সহ বিরোধী দলগুলিকে আক্রমণ করেন কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, “পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের শাসনকালে চাকরির নিয়োগ নিয়ে বহু দুর্নীতি হতো। আপনি যদি ত্রিপুরা বিজেপি সরকারের দিকে তাকান, তবে দেখবেন শিক্ষকদের কিভাবে চাকরি হারাতে হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উদাহরণ আমাদের সামনে রয়েছে”। তবে কুণাল ঘোষের এই ‘উপরতলা’ মন্তব্য যে তৃণমূলের অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!