‘বিজেপির ২০ জন বিধায়ক তৃণমূলে আসার জন্য পা বাড়িয়েই রয়েছেন’, দলবদলের আবহের মধ্যেই বিস্ফোরক দাবী কুণালের

লোকসভা নির্বাচনের মুখে ফের একবার দলবদলের হিড়িক পড়েছে। লোকসভা ভোটের আগে যেন ধীরে ধীরে শক্তিক্ষয় হচ্ছে বিজেপির। দিন তিনেক আগেই বাঁকুড়ার কোতুলপুরের বিজেপি বিধায়ক দল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। এবার এই দলবদলের আবহের মধ্যেই ফের এল চাঞ্চল্যকর দাবী করলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, বিজেপির ২০ জন বিধায়ক নাকি দল ছাড়ার পথে।

ঠিক কী বলেছেন কুণাল?

কুণালের কথায়, “একের পর এক নেতা দল ছেড়েছে। আরও ২০ জন ছাড়ার মুখে আছে। যেতে দিন আগামী ক’মাস। গুনে গুনে নেবেন বিজেপি থেকে ক’জন বেরিয়ে চলে আসে”।

প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০০ আসন টার্গেট করেছিল। কিন্তু ভোটে ভরাডুবি হয় পদ্ম শিবিরের। ৭৭টি আসন পায় তারা। এরপর জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিক নিজেদের সাংসদ পদ টিকিয়ে রাখতে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। এরই মধ্যে মুকুল রায় আবার ফিরে যান তৃণমূলে যা বিজেপির জন্য বড় ধাক্কা ছিল।

মুকুলকে অনুসরণ করেই এরপর থেকে এক এক করে ৭ জন বিজেপি বিধায়ক দলবদল করে যোগ দেন ঘাসফুল শিবিরে। মুকুল রায়, বিশ্বজিৎ দাস, তন্ময় ঘোষ, সৌমেন রায়, কৃষ্ণ কল্যাণী, সুমন কাঞ্জিলাল, হরকালী প্রতিহার- এই ৭ জন খাতায়-কলমে বিজেপি বিধায়ক হলেও, তারা কিন্তু যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। ফলত, বিজেপির রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বেশ টালমাটাল অবস্থা।

এমন অবস্থায় কুণাল ঘোষের এহেন মন্তব্যে ফের নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। এদিন কুণাল বলেন, “বিজেপি নেতারা ট্রেলার দেখানোর নাম করে ইডি-সিবিআইয়ের ‘অপশক্তি’ দেখায়। তার সঙ্গে মানুষের শক্তি, মানুষের আশীর্বাদের কোনও যোগ নেই। কিন্তু তৃণমূল যে মার দেখাবে, সেটা মানুষের মার, গণতন্ত্রের মার। শান্তিপূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক উপায়ে কীভাবে বিজেপিকে বিদায় করতে হয়, তা তৃণমূল দেখিয়ে দেবে”।

RELATED Articles