আজ রাজ্যের সাত দফা এবং শেষ দফার নির্বাচন পর্ব মিটেছে। পয়লা জুন ছিল লোকসভা নির্বাচনে শেষ দফার ভোট। করছে সবার পরই বুথ ফেরত সমীক্ষা নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে। কোন রাজ্যে কে কত আসন পাবে তা নিয়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোলের দ্বারা জনমতের একটি আভাস পাওয়া যায়। তবে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যায় না। চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৪ই জুন লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের দিন পর্যন্ত। এমন অনেক সময় হয়েছে বুথ ফেরত সমীক্ষার সঙ্গে ভোট গণনার ফলাফল মেলেনি। আবার কখনও ভোট শতাংশ থেকে আসন সংখ্যা মিলে গেছে।
নির্বাচন শেষ হতেই সন্ধ্যে করাতেই এক্সিট পোল শুরু হয়েছে। পিপল ইনসাইটের তরফে টিভি নাইন নেটওয়ার্কের জন্য একটি বুথ ফেরত সমীক্ষা করা হয়েছে। দেশের ৫৪৩ টি আসনের সমীক্ষা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ৪২ টি আসনের জন্য সমীক্ষা করা হয়েছে। এই সমীক্ষায় লোকসভা নির্বাচনের পূর্বাভাস। জনগণের মতামতের উপর ভিত্তি করে বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল প্রস্তুত করেছে টিভি নাইন বাংলা।
পশ্চিমবঙ্গে ৪২ টি আসন এক্সিট পোল অনুসারে বিজেপি পাচ্ছে ১৭ টি আসন এবং তৃণমূল ২৪ টি আসন। কংগ্রেস পাচ্ছে ১ টি আসন। সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গের ৪২ টি আসনের মধ্যে বামফ্রন্ট, ও অন্যান্যদের কোন আসন দেওয়া হয়নি। তবে কি পশ্চিমবঙ্গ থেকে চিরতরে বিদায় যাবে বামফ্রন্ট। দিদির শাসন চলবে এ রাজ্যে? নাকি বুথ ফেরত সমীক্ষাকে মিথ্যা করে বিজেপি এগিয়ে আসবে। ফলাফল জানতে অপেক্ষা করতে হবে ৪ই জুন পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলার ৪২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ২২, বিজেপি ১৮ এবং কংগ্রেস ২টি আসন পেয়েছিল। সেই বছর তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল শতকরা ৪৩.৭ শতাংশ। বিজেপি পেয়েছিল ৪০.৬ শতাংশ ভোট। ওই ভোটে বিজেপির শতকরা প্রায় ১৬ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি হয়েছিল। অন্যদিকে ১৬.৭২ শতাংশ ভোট কমেছিল বামেদের। বামেদের প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল শতকরা ৭.৫ শতাংশ। কংগ্রেসের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৫.৭ শতাংশ।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!