দু’পক্ষই সমানভাবে চেয়েছিলেন। এই কারণেই তা সম্ভব হল। আজ নবান্নের সভাঘরে কৃষকনেতা রাকেশ তিকাইতের সঙ্গে বৈঠক সারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এখান থেকেই যে জাতীয় রাজনীতির বীজ বপন করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
গত নভেম্বর মাস থেকে সিঙ্ঘু সীমান্তে চলছে কৃষক আন্দোলন। সেই আন্দোলনকে প্রথম থেকেই সমর্থন করে এসেছেন মমতা। আজও তিমি জানিয়ে দেন যে, কৃষকদের দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তিনিন তাদের পাশেই রয়েছেন। এরপরই তিনি জানান যে এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য হল ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীকে গদিচ্যুত করা।
আরও পড়ুন- ১লা জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বাড়ছে মহার্ঘ্য ভাতা! সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সিঙ্গুর–নন্দীগ্রাম আন্দোলনের উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন করি। কৃষকদের পাশে আছি। কৃষক আন্দোলন আরও জোরদার করা প্রয়োজন। এই ইস্যুতে অন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আমি কথা বলব”। তখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয় যে তিনি কী ইউপিএ–কে নেতৃত্ব দেবেন? এর উত্তরে মমতার সাফ জবাব “আমি শুধু মোদীকে তাড়াতে চাই”।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, তৃণমূল ইতিমধ্যেই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। এই কারণেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে অন্যান্য রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন বৃদ্ধি করাই এখন একমাত্র লক্ষ্য।
আরও পড়ুন- শুভেন্দু’র পর দিল্লি উড়ে গেলেন সৌমিত্র, অর্জুন, নিশীথ! অন্ধকারে রাজ্য নেতৃত্ব
বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভের পর এখন যে মমতার লক্ষ্যে রয়েছে দিল্লি, তা বেসগ স্পষ্ট। আর এদিন হাবভাবে তা বুঝিয়েও দেন মুখ্যমন্ত্রী। কৃষক সমাজ যদি তাঁর সমর্থনে থাকে, তাহলে অন্যান্য রাজ্যে সংগঠন তৈরি করা আরও সহজ হবে। এরই আগাম প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন মমতা।





