রাজ্যের সর্বত্র চলছে রাজনীতি। যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজের দিক ঠিক রাখার জন্য নাগাড়ে বিজেপিকে দুষে চলে মমতা সরকার। এবার বিশ্বভারতীর শতবর্ষ উৎসবেও লাগল রাজনীতির রং। আজ, বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতীর শতবর্ষ উৎসবে যোগ দেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের তরফ থেকে দাবী তোলা হয় যে মুখ্যমন্ত্রীকে নাকি এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হয়নি। এই মিথ্যের জবাব দিতে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা উপাচার্যের আমন্ত্রণপত্র টুইট করে মমতাকে একহাত নিল বিজেপি।
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্বভারতীর অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়া নিয়ে হয় বিস্তর জলঘোলা। দুপুরে ব্রাত্য বসু দাবী করেন যে, মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এরপর বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কে আমন্ত্রণ জানালো? কখন জানালো? আমি কোনও আমন্ত্রণ পাইনি। না পেয়েছি চিঠি, না ফোন”।

এরপরই শুরু হয় বিজেপির পাল্টা আক্রমণ। বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা আমন্ত্রণপত্র টুইটারে প্রকাশ করে বিজেপি। টুইটে লেখা হয়, “এখানেও নোংরা রাজনীতি মমতা? আমন্ত্রণ পেয়েও বিশ্বভারতীর অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের প্রতি অবমাননা করেছেন তিনি। তিনি সোনার বাংলাকে গলা টিপে মারছেন”।
বিজেপির এই টুইট করা চিঠির প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু বলেন যে বিজেপি তো ওই চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার দেখাতে পারেনি। চিঠি তো উপাচার্য সই করে নিজের কাছেই রেখে দিতে পারেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে তা পাঠিয়েছেন, তার কী প্রমাণ আছে?





