Mamata Banerjee Expressed Deep Sorrow to Death of Buddhadeb Bhattacharya: রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তাদের আলাদা থাকতে পারে তবে একে অপরের প্রতি সম্মান ছিল। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও তাঁর অসুস্থতার সময় তাঁর বাড়িতে তাঁকে দেখতে গিয়েছেন। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee Expressed Deep Sorrow to Death of Buddhadeb Bhattacharya)।
দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন বুদ্ধবাবু। বাড়িতেই চলছিল চিকিৎসা। বাইপ্যাপ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। কয়েকমাস আগেও শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিছুদিন ছিলেন চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে। এরপর বাড়ি ফেরেন। কিন্তু সম্প্রতি ফের মাথাচাড়া দেয় শ্বাসকষ্ট। ফুসফুসের সংক্রমণও বৃদ্ধি পেয়েছিল। আজ, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে তিনি লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আকস্মিক প্রয়াণে আমি মর্মাহত। বিগত কয়েক দশক ধরেই আমি তাঁকে চিনতাম এবং গত কয়েক বছরে তিনি যখন অসুস্থ ছিলেন তখন আমি কয়েকবার তাঁকে বাড়িতে দেখতে গেছি। এই মুহূর্তে আমি খুব দু:খিত বোধ করছি” (Mamata Banerjee Expressed Deep Sorrow to Death of Buddhadeb Bhattacharya)।
বুদ্ধবাবুর পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে মমতা লেখেন, “এই শোকের সময়ে মীরাদি এবং সুচেতনের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই। আমি সিপিআই(এম) দলের সকল সদস্য-সদস্যা, সমর্থক এবং তাঁর সমস্ত অনুগামীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি” (Mamata Banerjee Expressed Deep Sorrow to Death of Buddhadeb Bhattacharya)।
পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আকস্মিক প্রয়াণে আমি মর্মাহত। বিগত কয়েক দশক ধরেই আমি তাঁকে চিনতাম এবং গত কয়েক বছরে তিনি যখন অসুস্থ ছিলেন তখন আমি কয়েকবার তাঁকে বাড়িতে দেখতে গেছি।
এই মুহূর্তে আমি খুব দু:খিত বোধ করছি। এই শোকের সময়ে মীরাদি…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) August 8, 2024
প্রসঙ্গত, ২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদে ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। জমি আন্দোলনের হাত ধরেই বুদ্ধবাবুকে ক্ষমতাচ্যুত করে রাজ্যের মসনদে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে সরে যান বুদ্ধবাবু। ২০১৯ সালে শেষবার ব্রিগেডে গিয়েছিলেন তিনি। তবে সেদিনও তাঁর নাকে লাগানো ছিল নল। মিনিট ১৫ মতো গাড়িতে বসেই শুনেছিলেন তাঁর দলের বক্তৃতা। এর আগেও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ফিরে এলেও এবার আর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেন নি বুদ্ধবাবু। না ফেরার দেশে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী!





