রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এবার এই গ্রেফতারি নিয়ে মুখে খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বুঝিয়ে দিলেন তিনি ‘বালু’র পাশেই রয়েছেন। মমতার কথায়, “কিছু প্রমাণই হল না, আপনারা চোর বানিয়ে দিলেন”।
কী বললেন মমতা?
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর দলকে পাশে পান নি তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থর সমর্থনে কোনও কথা বলেন নি। তবে ব্যতিক্রম জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। আজ, বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে জ্যোতিপ্রিয়র পাশে দাঁড়িয়েই মমতা বলেন, “সবাইকে গ্রেফতার করে নিলে কি পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ভেস্তে দেবে ভাবছে? সব মন্ত্রীকে কিছু না কিছু বলে গ্রেফতার করবে? কিছু প্রমাণই হল না, আপনারা চোর বানিয়ে দিলেন! একবারও ভাবছেন, তাঁর পরিবার-পরিজনের কী অবস্থা? যাঁরা এসব অভিযোগ তুলছেন, তাঁদের নিজেদের কত বেনামি সম্পত্তি আছে… সে কি আমরা জানি না”।
এদিন নাম না করেই হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বলেন, কার কত সম্পত্তি রয়েছে, তা সবই তাঁর জানা। মমতার কথায়, “নামগুলি জানা আছে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিয়ে আমরা কিছু করি না। অনুসন্ধান, তদন্ত তো আমরাও করতে পারি। কিন্তু আমরা বলেছিলাম, বদলা নয় বদল চাই। তবে যদি কেউ একতরফাভাবে কিছু করে যায়, তাহলে লেবু কচলাতে কচলাতে তেতো হয়ে যায়”।
রেশন দুর্নীতির জন্য দায়ী বাম সরকারই
শুধু তাই-ই নয়, এদিন রেশন দুর্নীতির জন্য বাম আমলকেই কাঠগড়ায় তোলেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, “আমরা যখন ক্ষমতায় এলাম তখনও বাম আমলে এক কোটি ভুয়ো রেশন কার্ড ছিল। সেই কার্ডে রেশন তুলে খোলাবাজারে বিক্রি হত। সেই টাকা কোথায় গেল? কোনও তদন্ত হয়েছে”?
মমতা এও বলেন, “বামফ্রন্টের লোকেরা তো সব জায়গায় আছে। আমি তো কারও চাকরি খাইনি। কী করে চাকরি পেয়েছে কেউ জানে না। একজনের নামে আরেকজনও চাকরি করছে। যত দোষ, নন্দ ঘোষ। কত চিটফান্ড তৈরি হয়েছে বাম আমলে। একটারও বিচার হয়েছে? বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে”।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার