গতকাল, বুধবার বর্ধমান থেকে প্রশাসনিক সভা থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়। দুর্ঘটনার জেরে মাথায় চোট পান মুখ্যমন্ত্রী। বর্ধমান থেকে ফিরে আবার রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকও সারেন তিনি। সেখান থেকে বেরিয়ে এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা জানান মমতা। বললেন, “ঠিক সময়ে ব্রেক না কষলে ম’রেই যেতাম”।
গতকাল, বুধবার বর্ধমান থেকে ফেরার পথেই আচমকাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে অন্য গাড়ি ঢুকে পড়ে। মাথায় চোট পান তিনি। তবে তাও কলকাতা ফিরে প্রায় ৪৫ মিনিট রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা। এরপর রাজভবন থেকে বেরিয়ে জানান সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরই রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।
জানান ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা
এদিন বর্ধমান থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “একটা গাড়ি আমার কনভয়ে আচমকা ঢুকে পড়ে। ২০০ কিলোমিটার বেগে ওই গাড়িটা যাচ্ছিল। আমার গাড়িচালক বুদ্ধি করে ব্রেক কষেন। ঠিক সময়ে ব্রেক না কষলে ম’রেই যেতাম। জানলাটা খোলা ছিল। ড্যাশবোর্ডটা আমার মাথায় লেগেছে। যদি কাচ বন্ধ থাকত, আমার মৃ’ত্যুও হতে পারত। কাচ-সহ ড্যাশবোর্ড আমার সারা গায়ে ঢুকে যেত। গাড়িটা চুরমার হয়ে যেত। মানুষের আশীর্বাদে বেঁচে গিয়েছি”।
এদিন মাথায় ব্যান্ডেড লাগানো অবস্থাতেই রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করতে যান মমতা। বৈঠক শেষে এও জানান যে শরীর খুব একটা ভালো নেই। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমার মাথা টনটন করছে। গা বমি বমি করছে। আমি ওষুধ খেয়েছি। আপাতত হাসপাতালে যাচ্ছি না। আমার ঠান্ডা লাগছে। মনে হয় জ্বর আসছে। তাই নিয়ে কাজ করলাম। বাড়ি চলে যাচ্ছি”।
সত্যিই দুর্ঘটনা নাকি ষড়যন্ত্র?
এই ঘটনা নিছকই দুর্ঘটনা নাকি কোনও ষড়যন্ত্র, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এই বিষয়ে মমতা বলেন, “অনেক সময়ে অনেকে অন্য কারও গাড়ি ব্যবহার করে। সে বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। আইনের হাতে ছেড়ে দিচ্ছি। এটা নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না”।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!