লোকসভা ভোটের আর বেশিদিন বাকি নেই। মেরেকেটে আর দু’সপ্তাহ। নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীরাই। আজ, বৃহস্পতিবার কোচবিহারের মাথাভাঙায় নির্বাচনী সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন ফের একবার শীতলকুচির প্রসঙ্গ শোনা যায় তাঁর মুখে।
এবারের লোকসভা নির্বাচনে বীরভূম থেকে বিজেপি প্রার্থী করেছে প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধরকে। কিছুদিন আগেই পদত্যাগ করেন তিনি। তবে তাঁর পদত্যাগ নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়। অবশেষে তাঁর ইস্তফাপত্র গৃহীত হতেই তাঁকে বীরভূমের প্রার্থী ঘোষণা করে বিজেপি। এই আইপিএস অফিসারেরই নাম জড়িয়েছিল শীতলকুচি কাণ্ডে।
কী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
আজ মাথাভাঙার সভা থেকে ফের একবার শীতলকুচি কাণ্ড নিয়ে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধরকে ভোটের প্রার্থী করা নিয়ে কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর কথায়, ভিজিলেন্স থাকা সত্ত্বেও প্রার্থী করা হয়েছে দেবাশিস ধরকে।
এদিন সভা থেকে মমতা বলেন, “বিজেপি ইলেকশন কোড মানে না, ওটা ওদের ঘরবাড়ি। শীতলকুচিতে পাঁচজনকে গুলি করে মারা হয়েছিল। নির্বাচন চলাকালীন ছুটে এসে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম”।
এরপরই মমতার মন্তব্য, “যে লোকটির নির্দেশে এটা করা হয়েছিল, তাঁর বিরুদ্ধে সরকারের দুটি তদন্ত চলছে। ভিজিলেন্স ক্লিয়ার হয়নি। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিয়েছে। কোনও আইনকানুন মানেন না, তিনি আবার বীরভূমে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন”।
তৃণমূল সুপ্রিমোর কটাক্ষ, “শীতলকুচিতে গুলি চালিয়ে এত মানুষ মেরেও, হাতের রক্ত মোছেনি। এখন গিয়ে দাঁড়িয়েছে বীরভূমে কারণ বলছে আমি স্থানে এসডিপিও ছিলাম, সো হোয়াট”?
প্রসঙ্গত, নদিয়ার কৃষ্ণনগর থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে সেখানে সভা করেন তিনি। সেই সভা থেকে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে সমর্থন করে ভোট দাবী করেছিলেন মমতা। এবার তিনি প্রচার শুরু করলেন উত্তরবঙ্গ থেকে। আগামীকাল কোচবিহারে আবার প্রচার করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন ফের একবার সম্যক সমরে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী।





