পায়ে সংক্রমণ, বেশ ভালো চোট। যার জেরে এখন বেশি হাঁটাচলা করা বারণ। বাড়ি থেকেও বেরোচ্ছেন না তিনি। নবান্নে যান নি প্রায় এক মাস। পুজোর উদ্বোধন করছেন ভারচুয়ালি। বাড়িতে বসেই মণ্ডপে প্রতিমার চক্ষুদান করেছেন তিনি। পায়ে ঠিক কী হয়েছিল, সকলকে সবিস্তারে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
গতকাল, শনিবার নজরুল মঞ্চে ছিল তৃণমূল মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র শারদ সংখ্যার উদ্বোধন। এদিন নজরুল মঞ্চে উপস্থিত থাকতে পারেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটের বাড়ি থেকেই দলীয় মুখপত্রের শারদ সংখ্যার ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছেন তিনি। সেখানেই নিজের পায়ের ইনফেকশন নিয়ে জানান মমতা।
কী বললেন মমতা?
এদিন মমতা বলেন, “আমি ওখানে যেতাম। কিন্তু পায়ে একটা বড় সংক্রমণ হয়ে গেছিল। পনেরো দিন ধরে লড়াই করতে হয়েছে। আপনারা ভাবতেও পারবেন না কী হয়েছিল। সেখান থেকে স্বাভাবিক হওয়ার জন্য ১৫টা দিন লড়াই করতে হয়েছে। জীবনমৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি”।
ঠিক কী হয়েছিল তাঁর পায়ে?
মমতা জানান, তাঁর পায়ে খুবই যন্ত্রণা ছিল। এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে। কয়েকদিনের মধ্যে পুরোটা কমে যাবে। তিনি বলেন, “এটা হেলিকপ্টারে পড়ে হয়েছিল। দ্বিতীয় চোট বার্সেলোনায় লাগে। সেই অবস্থায় ফিরে না এসে আন্তর্জাতিক সব অনুষ্ঠান সেরে ফিরি। তারপর হাসপাতালে যাই, অস্ত্রোপচার হয়। তারপর প্রচণ্ড ইনফেকশন হয়ে যায়। সেটা সামলাতে স্যালাইনের মতো চ্যানেল করে ইনজজেকশন দিতে হয়। আমি মানসিকভাবে সুস্থ, আমি শারীরিকভাবেও সুস্থ। শুধু পায়ে একটু সমস্যা আছে। আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে সেরে যাবে”।
এদিন এই অনুষ্ঠান থেকে সকলকে শারদ শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দেবী হলেন আমাদের মা। তাঁকে আবাহন করুন। আনন্দ করুন। কে কী বলল তাতে কান দেবেন না। নেতিবাচক ব্যাপার এড়িয়ে চলুন। বিদ্বেষ নয়, পরস্পরকে ভালবেসে এই শারদ উৎসব উপভোগ করুন”।





