Mamata Banerjee talked about Mimi Chakraborty: উনিশের লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর থেকে রেকর্ড মার্জিনে জিতেছিলেন মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু চব্বিশের লোকসভা ভোটে তিনি আর নেই। নিজেই রাজনীতিকে বিদায় জানিয়েছেন তিনি। লোকসভা ভোটে যে তিনি লড়তে চান না, তাও জানিয়ে দিয়েছেন মিমি। এবার মিমিকে নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee talked about Mimi Chakraborty)।
এবারের লোকসভা নির্বাচনে যাদবপুর থেকে তৃণমূল প্রার্থী করেছে আরও এক তারকা সায়নী ঘোষকে। গতকাল, রবিবার সোনারপুরে সায়নীর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানে সায়নীকে পাশে নিয়েই মিমির বিষয়ে কথা বলেন তিনি (Mamata Banerjee talked about Mimi Chakraborty)। মিমির থেকে যে যাদবপুর তেমন কোনও সার্ভিস পায় নি, তাও স্বীকার করে নেন তিনি।
এদিন মঞ্চে সায়নী হাত ধরে উঁচু করে মমতা (Mamata Banerjee) বলেন, “আমার প্রার্থী সায়নী। আগের বার আপনারা অতটা সার্ভিস পাননি। সায়নী এলাকায় পড়ে থেকে লড়াই করবে এবং দাঁতে দাঁত দিয়ে উন্নয়নের কাজ করে যাবে”।
যাদবপুর এলাকা থেকে শোনা যাচ্ছিল, মিমিকে এলাকায় পাওয়াই যায় না। সেই কারণে ক্ষোভ জমেছে সেখানকার মানুষের মনে। সেই বিষয়কে টেনে এদিন মমতা (Mamata Banerjee) বলেন, “মিমি খুব ভাল মেয়ে। খুব ভাল অভিনেত্রী। খুব ভাল অভিনয় করে। সত্যিই ও অভিনয়ে খুব ব্যস্ত থাকে। দেখুন, একজনকে তাঁর পেশা থেকে তো আমি সরিয়ে আনতে পারি না। তা সত্বেও ওকে যখন যেটা বলেছি আমরা, ও করেছে। করেনি তা নয়। ও সাধ্য মতো চেষ্টা করেছে। তিনি নিজের ফিল্ম জগতে ব্যস্ত। এটা আমাদেরই দোষ ছিল। সে জন্য আমরা শুধরে নিয়েছি” (Mamata Banerjee talked about Mimi Chakraborty)।
মমতার (Mamata Banerjee) কথায়, “আমি ওঁকে (মিমিকে) ফোন করেছিলাম। বলেছিলাম, তোমাকে যদি বলি… অন্য কোনও জায়গা থেকে দাঁড়াবে? আমি কিন্তু ওঁকে না করিনি। ও ভাল মেয়ে, আমি চাই ও ভাল থাকুক (Mamata Banerjee talked about Mimi Chakraborty)। কিন্তু আমি চেয়েছিলাম সায়নীকে”।
অভিনয়ের পাশাপাশি সায়নীকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। তিনি যুব তৃণমূল রাজ্য সভানেত্রী। মমতার (Mamata Banerjee) কথায়, যাদবপুরে কোনও স্ট্রং প্রার্থীর দরকার। এদিন তিনি বলেন, “এখানে কেউ কেউ বড্ড বেড়েছে। এখানে নরম লোক দিয়ে হবে না (Mamata Banerjee talked about Mimi Chakraborty)। এখানে কোমর বেঁধে একটু ঝগড়া করার লোক দরকার। যাতে মানুষ বিচার পায়। যে জমিদারি দেখাবে, তার জমিদারি ভাঙার জন্যই সায়নীকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। ও স্ট্রং মেয়ে”। সায়নীকে দিয়ে তৃণমূলের ভোটবাক্স উদ্ধার হয় কী না, এখন সেটাই দেখার।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!