তিনি যে কবিতা লেখেন, তা নতুন কিছু নয়। ছোটোদের জন্য কবিতা হোক বা হালফ্যাশনের আধুনিক কবিতা, সবই ধরা পড়ে তাঁর কলমে। বেশ কিছু কবিতার বইও প্রকাশিত হয়েছে তাঁর। তাঁর কবিতা নুয়ে অনেকসময় অনেকে ট্রোল করলেও, তাতে বিশেষ আমল দেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এবার সম্প্রতি ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনা নিয়ে কবিতা লিখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই কবিতায় উঠে এল মানুষের আর্তনাদ, হাহাকারের ছবি। একরকম প্রশ্নই ছুঁড়ে দিলেন তিনি যে এই দুর্ঘটনা নিয়ে কী আদৌ আমরা কেউ কিছু ভাবলাম? নাকি যে মানুষগুলো চলে গেল, তাদের জন্য তাদের পরিবার ও স্বজন ছাড়া আর ভাববার কেউ নেই!

গত শুক্রবার যেন গোটা দেশের জন্যই এই দুর্বিষহ রাত ছিল। ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে ঘটে যায় মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয়েছে ২৮৮ জনের, আহত হাজারেরও বেশি। শনিবার সকালেই দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সেই দৃশ্য যে তাঁকে ভিতর থেকে নাড়িয়ে দিয়েছে, তা তাঁর কবিতার ভাষা থেকেই স্পষ্ট।
এই ট্রেন দুর্ঘটনায় বাংলা থেকে যাদের মৃত্যু হয়েছে বা যারা আহত হয়েছেন,গত বুধবার তাদের হাতে ক্ষতিপূরণ তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠান থেকে করমণ্ডল দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্ত নিয়েও ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। তাঁর কথায়, রেলে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।
এদিন অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, “আমরা সত্যটা জানতে চাই। কিন্তু যা হয়েছে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। মনে রাখবেন, ছাইকে কখনও আগুন করা যায় না আবার আগুনকে কখনও ছাই করা যায় না”। এরপর গতকাল, বৃহস্পতিবার তিনি লিখলেন এই কবিতা। তাঁর সেই কবিতা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। মুখ্যমন্ত্রীর এই কবিতা চোখ ভিজিয়েছে অনেকেরই।





