Man died in Kanchenjunga Express Accident: মেয়ের জন্মদিনের দিন বাড়ি ফিরবেন, এমনটাই কথা দিয়েছিলেন মেয়েকে। মেয়েও জেদ ধরেছিল, বাবা না এলে সে কেক কাটবে না। বাবাও মেয়ের আবদার রাখতে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাড়ি ফিরছিলেন। সেই কারণেই ট্রেন বদল। কিন্তু মেয়ের জন্মদিনে বাড়িতে এলেন না বাবা। বরং তার বদলে এল বাবার মৃত্যু সংবাদ (Man died in Kanchenjunga Express Accident)।
কলকাতার জামির লেনের বাসিন্দা বছর ৩১-এর শুভজিৎ মালি। বাড়িতে রয়েছেন স্ত্রী, ১১ বছরের মেয়ে ও দেড় বছরের ছেলে। রয়েছেন মা, বাবা, দাদা, বৌদি। গতকাল, সোমবার উত্তরবঙ্গের রাঙাপানিতে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় শুভজিতের (Man died in Kanchenjunga Express Accident)। ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রওনা দেন দাদা সুরজিৎ।
জানা গিয়েছে, গতকাল, সোমবারই ছিল শুভজিতের ১১ বছরের মেয়ে সৃষ্টির জন্মদিন। কেক নিয়ে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তাঁর। বাইরে কাজে গিয়েছিলেন তিনি। তবে মেয়ের জন্মদিনের কারণে নির্ধারিত ট্রেন ছেড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চাপেন। এদিকে সৃষ্টির জন্মদিন উপলক্ষ্যে বাড়িতে চলতে থাকে নানান আয়োজন, রান্নাবান্না। কিন্তু শুভজিতের মৃত্যু সংবাদে শোকের বাড়িতে পরিণত হয় ওই বাড়ি (Man died in Kanchenjunga Express Accident)।
স্বামীর মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর থেকেই সামলানো যাচ্ছে না শুভজিতের স্ত্রীকে। একটানা কেঁদেই চলেছেন শুভজিতের মা (Man died in Kanchenjunga Express Accident)। মুখে একটাই কথা, “ছেলেটা কোথায় চলে গেল, আর ফিরবে না”! এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “পাড়ার সকলের বিপদে আপদে ঝাঁপিয়ে পড়ত শুভজিৎ। কী থেকে যে কী হয়ে গেল”!
পরিবার সূত্রে খবর, শুভজিৎ গাড়ি ডেলিভারির কাজ করতেন। এবার গাড়ি চালিয়ে নাগাল্যান্ড পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে আরও দুটি গাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন শুভজিতের দুই বন্ধু সূর্যশেখর পাণ্ডা ও আরও এক জন। ট্রেনেই ফেরার কথা ছিল তাদের। মেয়ের জন্মদিনে ফেরার জন্য ট্রেন বদলে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চাপেন শুভজিৎ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সূর্যশেখরও। অন্য এক বন্ধু ট্রেন ধরতে পারেন নি।
সূর্যসেখরও জামির লেনেরই বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, সূর্যশেখর তাঁর বান্ধবীকে ফোনে জানান যে দুর্ঘটনায় শুভজিতের মৃত্যু হয়েছে (Man died in Kanchenjunga Express Accident)। ওই বান্ধবীই খবর দেন শুভজিতের পরিবারকে। জানা গিয়েছে, সূর্যশেখরও গুরুতর জখম হয়েছেন। হাতে-পায়ে-বুকে আঘাত পেয়েছেন তিনি। আপাতত উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি সূর্যশেখর।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার