স্ত্রীর অ’শ্লী’ল ছবি ভাইরাল প্রতিবেশীর। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গেলে বেধড়ক মারধর করা হয় স্বামীকে। মারধরের জেরে মৃত্যু হল ওই ব্যক্তির। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খু’নের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ বন্দর থানা এলাকার ভূকৈলাস রোডে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনার সূত্রপাত বছর দেড়েক আগে। ওই এলাকার বাসিন্দা হলেন মৃত রামশঙ্কর তিওয়ারি। জানা গিয়েছে, তিনি একদিন দেখেন, তাঁরই প্রতিবেশী বশিষ্ঠ সিং তাদেরই বাথরুমের কাছে ঘোরাঘুরি করছেন।
রামশঙ্কর জানতে পারেন, তাঁর স্ত্রী যখন বাথরুমে স্নান করেন, তখন বশিষ্ঠ তাঁর স্ত্রীর অ’শ্লী’ল ছবি, ভিডিও তুলত। একথা জানার পরই রামশঙ্কর ও তাঁর পরিবারের লোকেরা বশিষ্ঠর বাড়ি গিয়ে প্রতিবাদ জানায়। দুই পরিবারের মধ্যে বড় রকমের অশান্তি বাঁধে। তবে এলাকার বাসিন্দারাদের মধ্যস্থতায় থামে গোলমাল। এলাকাবাসীদের চাপে পড়ে ফোনে থাকা সেই অ’শ্লী’ল ভিডিও, ছবি মুছে ফেলেন বশিষ্ঠ। দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছিল।
এরই মধ্যে কিছুদিন আগেই রামশঙ্করের ছেলের কাছে একটি ভিডিও আসে এক পরিচিতর থেকে। ভিডিওতে তাঁর মায়ের বাথরুমে স্না’ন করার দৃশ্য দেখতে পান তরুণ। বাবাকে জানান বিষয়টি। রামশঙ্করের অভিযোগ, বশিষ্ঠ লুকিয়ে তাঁর স্ত্রীর এই অ’শ্লী’ল ভিডিও উলে তা ভাইরাল করে দিয়েছে।
গতকাল, শুক্রবার রামশঙ্কর ছেলেকে নিয়ে বশিষ্ঠর বাড়ি যায়। সেখানে তাঁর সেই কীর্তির কথা জানান তিনি। প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করে বশিষ্ঠ। এরপরই রামশঙ্করকে মারধর শুরু করে সে। রামশঙ্করের ছেলে বাধা দিতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। মারের কারণে রামশঙ্করের বুকে ও মাথায় চোট লাগে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। রামশঙ্করের পরিবার এই ঘটনায় দক্ষিণ বন্দর থানায় অনিচ্ছাকৃত খু’নের মামলা দায়ের করেছে। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত। তার তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।





