করোনাতে বিশ্ব জুড়ে যে হারে মানুষ মারা যাচ্ছে, তাতে রীতিমত আতঙ্কে আছেন প্রশাসন। তাই আগাম সর্তকতামূলক ব্যবস্থা নিতে চলেছে রাজ্যসরকার। গৃহ পর্যবেক্ষণ এবং আইসোলেশন সেন্টার তৈরীর জন্য
এবার কলকাতা শহরের সব বিয়েবাড়ি ও ব্যাঙ্কোয়েট হল অধিগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।সোমবার নবান্নে সর্বদলীয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্তই নিয়েছে রাজ্য সরকার।
এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি, ফরওয়ার্ড ব্লক, সিপিআই-সহ মোট ১১টি দলের ২২জন প্রতিনিধি এসেছিলেন। ছিলেন শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যরাও। তারা সবাই রাজ্যে আরও বেশি করে আইসোলেশন বিভাগ খোলার দাবি জানিয়েছেন। সেই কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যদিও এখন সারা রাজ্যের বহু মানুষ বাড়িতেই বন্দি রয়েছেন। তাও সবার মধ্যে সচেতনতার অভাবও রয়েছে। আবার অনেকে হাসপাতাল বা সরকারি জায়গায় রয়েছে। সিপিএম, আরএসপি-সহ বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, এখনও তৃতীয় পর্যায়ে আসেনি রাজ্য, তা যাতে না আসে তার জন্য পদক্ষেপ করতে হবে।
তাই আগাম তৃতীয় পর্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু। কোরোনা আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে দিন দিন বাড়ছে তাতে এই আশঙ্কা করাটা খুবই সমীচীন। যদি করোনা আক্রান্ত লোকের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যায়, তা রুখতেই আগেভাগে তৈরি থাকতে চাইছে রাজ্য। পাশাপাশি, এদিন নবান্নের বৈঠকে বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা দাবি জানান, লক ডাউনের জন্য যাতে কোনও কর্মীকে কাজ না হারাতে হয়, তার দিকেও সরকার নজর দিক। এমনকী তাঁরা দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের জন্য আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করার দাবিও তোলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ।
এই প্রসঙ্গে বিজেপির প্রতিনিধিদলকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের বকেয়া দাবির কথা তুলতেও অনুরোধ করেছেন তিনি। সকলেই কর্মহীনতার বিষয়টি বারংবার দেখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যের প্রথম করোনাতে মৃত্যু নিয়ে সিপিএম সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!