ছট পুজোর কাজ করা যাবে না রবীন্দ্র বা সুভাষ সরোবরে, সেই নির্দেশ দিয়েই বুধবার রাত থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এই দুই সরোবরের গেট। আজ, শুক্রবার ১২টায় তা খুলেছে। সরোবর বন্ধ থাকলেও বাজির উৎপাত থেমে থাকে নি। ছট পুজোতে যেন পালন হল অকাল দীপাবলি। ফাটল দেদার শব্দবাজি আর নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করল পুলিশ।
রবীন্দ্র সরোবর ঢোকার সবকটি গেটেই তালা ঝুলিয়ে সামনে ব্যারিকেড করে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। কেউ যাতে সরোবরে ঢুকতে না পারে, সেই কারণে কোনও গাড়িও ঢুকতে দেওয়া হয়নি লেকের আশেপাশে। এই একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল সুভাষ সরোবরেও। লেক বন্ধ থাকলেও বাজি ফাটানো কিন্তু কোনওভাবেই আটকানো গেল না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রবীন্দ্র সরোবরে যে সমস্ত প্রবেশ পথ রয়েছে, সেই সবকটির সামনে কয়েকজন লাগামছাড়া শব্দবাজি ফাটিয়েছে। লেকে ঢুকতে না পেরেই তারা এই কাজ করেছে বলে অভিযোগ। এই একই ঘটনা ঘটেছে সুভাষ সরোবরের বাইরেও। আর এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ, পুলিশের সামনেই দেদার শব্দবাজি ফাটানো ফাটানো হয়। কিন্তু নীরব ছিল পুলিশ। এমন পরিস্থিতি দেখে একজন প্রবীণ নাগরিক পুলিশকর্মীকে বলেন, “স্যার শব্দবাজির দাপটে তো প্রাণ ওষ্ঠাগত অবস্থা হচ্ছে”। জবাবে পুলিশকর্মী বলেন, “সবাই তো বাচ্চা। এদের কী আর বলব? উৎসবে এটুকু আনন্দ তো করবেই। সব জায়গায় কি আইন দেখানো উচিত”? সুভাষ সরোবরের চারপাশে কাদাপাড়া রোড থেকে শুরু করে ধর্মতলা, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ চত্বরেও ফাটল দেদার শব্দবাজি।
আরও পড়ুনঃ কী ভূতুড়ে কাণ্ড! আবাস যোজনার তালিকায় একই মহিলার নাম পাঁচবার, গ্রামে খোঁজ পড়ল উপভোক্তার, ফের দুর্নীতিতে বিদ্ধ শাসক দল
শুধুমাত্র শব্দবাজিই নয়, রাতে তারস্বরে মাইক বাজানোর অভিযোগও উঠেছে। রবীন্দ্র সরোবর ও সুভাষ সরোবর এলাকায় উচ্চস্বরে ডিজে বাজিয়ে, কালীপটকা, বোমা ফাটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন স্থানীয়রা। আর এই কোনও কাজেই বাধা দেয়নি বা কোনও পদক্ষেপ করেনি পুলিশ। দুই লেক মিলিয়ে প্রায় ১৫০ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন ছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন রোখা গেল না দেদার শব্দবাজি ফাটানো, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!