বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বাংলাকে দেওয়ার জন্য বিজেপির পসরার অভাব নেই। গুচ্ছ গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি আর পরিকল্পনা।
আর এবার ফের মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে তেহট্টের সভা থেকে সরব হলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁরর ঘোষণা, দিদি গত দশ বছরে কিছু করেননি। বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে মতুয়া ও নমঃশুদ্রদের।
আরও পড়ুন- ভোটের আগেই বিপাকে তৃণমূল! আইকোর মামলায় এবার ডাক শাসকশিবিরের দুই হেভিওয়েটের
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোট চলতি বিধানসভা নির্বাচনে খুবই উল্লেখযোগ্য। আর তাই সেই ভোট হাসিল করতে উঠে পড়ে লেগেছে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই। মতুয়াদের নাগরিকত্ব আটকে রেখেছে কারা। এই প্রশ্নে বিজেপি-তৃণমূলের চাপানউতোর বহু পুরোন। মমতা বন্দোপাধ্যায় একাধিক সভায় বলছেন সব শরনার্থীরা এদেশের নাগরিক। অন্যদিকে অমিত শাহ্ বলেছেন, যতক্ষণ বাংলা দিদির হাতে রয়েছে ততক্ষণ মতুয়া ও নমঃশুদ্ররা নাগরিকত্ব পাবেন না l
তেহট্টর সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন অমিত শাহ্ বলেন, আরে দিদি! কতদিন আছেন আপনি? ২রা মে আপনার বিদায় নিশ্চিত। তারপর মতুয়া ও নমঃশুদ্ররা নাগরিকত্ব পাবে। দিদি, যাঁরা এতদিন এখানে বসবাস করছে তারা নাগরিকত্ব পাবে না? কারণ আপনার ভোটব্যাঙ্কের মানুষদের তাতে আপত্তি আছে বলে? আমরা ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করি না। আমরা ক্ষমতায় এলে ওঁদের নাগরিকত্ব দেব।
এরপর তিনি আরও বলেন, যেসব শরনার্থী নাগরিকত্ব পাবেন তাঁদের জন্য ১০০ কোটির একটি তহবিল তৈরি হবে। মতুয়া ও নমঃশুদ্রদের জন্য ওই টাকা খরচ করা হবে। মতুয়া ”দলপতি’-দের মাসিক ৩০০০ টাকা পেনশন দেওয়া হবে। মতুয়া-নমঃশুদ্র বিকাশ বোর্ড গঠন করা হবে। সরকার গঠন হওয়ার পরই ঠাকুরনগর স্টেশনের নাম শ্রীধাম ঠাকুরনগর করা হবে। ঠাকুরনগরকে তীর্থক্ষেত্রে হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের ধামকে পর্যটনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
আরও পড়ুন- বিজেপি নেতাকে ব্যাপক মারধর, পরে মুখে প্রস্রাব, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে
পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেসকেও নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস এই অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে পারবে না? সিপিএম, কংগ্রেসও পারবে না। কারণ ওদের ভোটব্যাঙ্ক হল এই অনুপ্রবেশকারীরাই। এই কাজ একমাত্র পারে বিজেপি। রাজ্যে বিজেপির সরকার গড়তে দিন, সীমান্ত পেরিয়ে মানুষ তো দূরের কথা,পাখিও ঢুকতে পারবে না।





