Minister Arup Biswas Claimed about Load Shedding: সন্ধ্যে হলেই অন্ধকারে ডুবে যায় গোটা এলাকা। লোডশেডিংয়ের জেরে বিপর্যস্ত জনজীবন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা থাকে না বিদ্যুৎ। ফলে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় স্থানীয়দের। এই নিয়ে অভিযোগ করলে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। আর সেই লোডশেডিংয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবার বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এমন এক দাবী করলেন যা ফের বিতর্ক তৈরি করেছে (Minister Arup Biswas Claimed about Load Shedding)।
গতকাল, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল মালদহের মানিকচক ও রতুয়া এলাকা। সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, মানিকচকের বেশ কিছু গ্রামে বিদ্যুৎ পরিষেবা অত্যন্ত খারাপ। প্রায় ২০-৩০টি গ্রামে প্রতিদিন সন্ধ্যে হলেই লোডশেডিং হয়ে যায়। আর কারেন্ট আসে পরের দিন দুপুরে। গোটা রাত কেটে যায় অন্ধকারে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে মানিকচকের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। সেই বিক্ষোভের মাঝেই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে পুলিশের। বিক্ষোভকারীদের উপর ২ রাউন্ড গুলি চালায় পুলিশ, এমনটাই খবর। এই সংঘর্ষে আহত হন পুলিশকর্মী। কিছু স্থানীয়রাও আহত হয়েছেন বলে খবর। এই ঘটনায় পুলিশের থেকে রিপোর্ট চেয়েছে নবান্ন।
এই ঘটনায় যখন পরিস্থিতি উত্তাল, সেই সময় এক বিবৃতি দেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Minister Arup Biswas Claimed about Load Shedding)। মালদহের ঘটনা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ তো করেন তিনি। তবে তাঁর দাবী, “পশ্চিমবঙ্গের কোথাও এখন লোডশেডিং হয় না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার অভিধান থেকে লোডশেডিং নামক শব্দটি চিরতরে তুলে দিয়েছেন”।
তিনি এও দাবী করেন, “অন্যান্য রাজ্যে যেখানে গড়ে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং হয়, সেখানে বাংলায় একমাত্র রাজ্য যেখানে ১ মিনিটও লোডশেডিং হয় না” (Minister Arup Biswas Claimed about Load Shedding)।
এদিনের এই বিবৃতিতে বিদ্যুৎমন্ত্রী এও জানিয়েছেন, উন্নতমানের বিদ্যুৎ পরিষেবার জন্য মালদহ পাওয়ার গ্রিড থেকে মানিকচক পর্যন্ত ৮৬টি টাওয়ার বসানোর হয়েছে। কিন্তু ৩টি টাওয়ার বসানো নিয়ে সমস্যা চলছে। স্থানীয়দের একাংশ অসহযোগিতা করছেন বলে দাবী বিদ্যুৎমন্ত্রীর (Minister Arup Biswas Claimed about Load Shedding)। তাঁর কথায়, এই সমস্যা মিটে গেলেই আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এলাকায় উন্নতমানের বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়া হবে।





