‘বারাসাত পুরসভার ৭টি ওয়ার্ডে সিপিএমের ৭১ জন চিরকুটে চাকরি পেয়েছিলেন’, বাম আমলে দুর্নীতি নিয়ে ফের অভিযোগ রাজ্যের মন্ত্রীর

রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতিতে (recruitment scam) নাম জড়িয়েছে শাসক দলের একাধিক নেতার। আর এসবের মধ্যেই তৃণমূলের তরফে টেনে আনা হয়েছে বাম আমলে (CPM regime) চিরকুটের সুপারিশে চাকরির ইস্যু। তা নিয়ে এখন তৃণমূল-সিপিএম দ্বৈরথ চলছে। এমন আবহে এবার বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mullick) দাবী করলেন যে বারাসাত পুরসভার (Barasat Municipality) ৭টি ওয়ার্ডে সিপিএমের ৭১ জন নেতাকর্মীর চিরকুটে চাকরি হয়েছে।

গতকাল, বুধবার বাম ছাত্র-যুবদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের উপর হামলা ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের প্রতিবাদে একটি সভা করে তৃণমূল। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, সাংসদ সৌগত রায়, বিধানসভার উপমুখ্য সচেতক তাপস রায়, বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী, জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিনা মণ্ডল, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদ, বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায়, তৃণমূল ছাত্র-যুব সংগঠনের নেতৃত্ব-সহ অন্যান্যরা।

এদিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাম আমলে চিরকুটে চাকরি নিয়ে মন্তব্য করেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, “বারাসত পুরসভার ৭টি ওয়ার্ডের ৭১জন সিপিএম নেতাকর্মীর চাকরির তালিকা প্রকাশ করা হল। জেলা জুড়ে এইরকম চাকরির তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সবার চিরকুটে চাকরি হয়েছে। আগামী দিনে তালিকার একটি বই প্রকাশিত হবে। এদের মধ্যে অনেকে আবার অবসরপ্রাপ্ত। যদি আমরা এটা নিয়ে আদালতে যাই তাহলে রিটায়ার্মেন্টের টাকাও ফেরত দিতে হবে”।

এই একই সুর শোনা যায় তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় ও উপমুখ্য সচেতক তাপস রায়ের গলাতেও। এদিন সভা শেষে বনমন্ত্রী আরও বলেন, “চিরকুটে চাকরির ৭১জনের তালিকা এদিনই উপস্থিত দলীয় নেতৃত্বদের দেওয়া হয়েছে। মুখ্যসচিবকে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলব”।

তৃণমূলের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে সিপিএম জেলা নেতকা আহমেদ আলি খান বলেন, “তৃণমূল সরকারে রয়েছে এতগুলো বছর হয়ে গেল, চুপ করে বসে আছে কেন? হিম্মত থাকলে কোর্টে যাক, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের এজেন্সিকে তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা করুক”।

RELATED Articles