টাকার খেলা রাজ্যে! এবার বিজেপি নেতার গাড়ি থেকে উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, ভোটের প্রাক্কালে প্রবল বিতর্কের মুখে গেরুয়া শিবির

Money recovered from BJP Leader: রাজ্যের চারিদিকে যেন টাকার খেলা চলছে। ইতিউতি নানান প্রান্ত থেকে উদ্ধার হচ্ছে টাকা। আর ভোটের আবহে তো এই সময় কড়া তল্লাশি চলছে। ফলে মাঝেমধ্যেই শোনা যাচ্ছে টাকা উদ্ধারের ঘটনার খবর। এতদিন পর্যন্ত নানান তৃণমূল নেতানেত্রীর থেকে উদ্ধার হয়েছে টাকা। তবে এবার বিজেপি নেতার গাড়ি থেকে মিলল বান্ডিল বান্ডিল টাকা (Money recovered from BJP Leader)। এর জেরে ভোটের আগে বেশ বিতর্কের মুখে গেরুয়া শিবির।

কোথায় ঘটেছে ঘটনাটি?

এই ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ক্রান্তি এলাকায়। জানা গিয়েছে, গতকাল, শনিবার রাতে ওই এলাকায় চলছিল নাকা তল্লাশি। সেই সময় তল্লাশি করা হয় বিজেপির মাল মহকুমার কনভেনার রাকেশ নন্দীর গাড়িতে। আর সেই গাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় ৭ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা (Money recovered from BJP Leader)। পুলিশ সূত্রে খবর, বিজেপি নেতা ওই টাকার কোনও সঠিক নথি দেখাতে পারেন নি।

পুলিশ সূত্রে খবর, ওই বিজেপি আটক করা হলে পুলিশি জেরায় তিনি জানান, ওই টাকা নাকি আসল বিজেপি মহিলা মোর্চার জেলা সভাপতি দীপা বণিকের (Money recovered from BJP Leader)। তাঁর নির্দেশেই তিনি ওই টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন। এরপর দীপা বণিককেও তল্লাশি করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তল্লাশিতে বিজেপি নেত্রীর থেকে আরও ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এই টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বিজেপি নেতৃত্বের দাবী, সম্প্রতিই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মালবাজার এলাকায় সভা করেছেন। এছাড়াও কিছু রাজনৈতিক কর্মসূচিও রয়েছে সামনে। সেই কর্মসূচির জন্যই এই টাকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে খবর (Money recovered from BJP Leader)। যাদের আটক করা হয়েছিল, এদিন রাতেই তাদের ব্যক্তিগত জামিনে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ, এমনটাই খবর।

তবে এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে গেরুয়া শিবিরকে কটাক্ষ করতে দেরি করেনি তৃণমূল (Money recovered from BJP Leader)। এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃনমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক বিকাশ মালাকার বলেন, “শুভেন্দু-সুকান্তর কর্মীরা টাকা নিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে খবর আছে বলে আমি যতদূর জানি। টাকা দিয়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের উন্নয়ন স্তব্ধ করা যাবে না। টাকা দিয়ে ওরা আসলে মানুষ কেনার চেষ্টা করছে। আমরা মানুষকে বলছি, টাকা দিলে টাকা নেবেন, ভোট আপনারা কাকে দেবেন, সে তো আমরা জানিই”।

প্রসঙ্গত, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার দিনই জাতীয় নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছিল যে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে চায় কমিশন। অর্থ দিয়ে যাতে ভোট না হয়, সেই কারণে কড়া নজরদারি করতে নির্দেশ দেওয়া হয় সমস্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে নাকা চেকিংয়েও। এর আগেও নাকা তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে টাকা। আর এবার টাকা মিলল বিজেপি নেতানেত্রীদের থেকে (Money recovered from BJP Leader)। এর ফলে ভোটের মুখ যে গেরুয়া শিবির বেশ অস্বস্তিতে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

  

আরও অন্যান্য খবর