মুখ্যমন্ত্রীর কড়া ধমকের পরই তৎপর প্রশাসন, ফুটপাত দখল করে তৈরি গোটা হোটেল বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল পুরসভা

Municipality demolished a hotel for illegal construction: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া ধমকের পর ২৪ ঘণ্টাও কাটল না। এরই মধ্যেই প্রবল তৎপরতা লক্ষ্য করা গেল কলকাতা-সহ রাজ্যের নানান পুরসভাগুলিতে। কোথাও আবর্জনা পরিষ্কার তো কোথাও আবার জমি জবরদখল করে থাকা ঝুপড়ি, হোটেল ভেঙে দিল পুরসভা (Municipality demolished a hotel for illegal construction)।    

আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকেও বেশ কড়া পদক্ষেপ নেয় বিধাননগর পুলিশ। এদিন সল্টলেক সেক্টর ৩-এ ফুটপাত দখল করে থাকা অনেকগুলি দোকান ভেঙে দেওয়া হয় বুলডোজার দিয়ে। কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালের আশেপাশেও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালাতে দেখা যায় পুরসভাকে।

শুধুমাত্র কলকাতাই নয়, ফুটপাত দখল করে থাকা দোকান, হোটেল উচ্ছেদ করতে দেখা গেল রাজ্যের অন্য প্রান্তেও। হালিশহর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে একটি হোটেলকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল পুরসভা (Municipality demolished a hotel for illegal construction)। জানা গিয়েছে, সরকারি জমির উপর গড়ে উঠেছিল এই হোটেল। একাধিকবার নোটিশ দেওয়ার পরও এই হোটেল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। ফলে এই বেআইনি নির্মাণ গুঁড়িয়ে দেয় হালিশহর পুরসভা (Municipality demolished a hotel for illegal construction)। যদিও বিরোধীদের আবার দাবী, পুরসভা থেকেই অনেক বেআইনি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেগুলি আগে ভেঙে ফেলা হোক।

এই হোটেল ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে হালিশহর পৌরসভার চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষ বলেন, “নোটিশ আগেই দিয়েছি। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডেও নোটিস দেওয়া হয়েছি। আজই তারিখ ছিল ভাঙার (Municipality demolished a hotel for illegal construction)। সেই মতো ওই হোটেলের লোকজন জিনিসপত্র আগেই সরিয়ে নিয়েছিল। ওই জায়গায় এখন টোটো ও অটো স্ট্যান্ড হবে”।

হালিশহর টাউন প্রেসিডেন্ট প্রবীর সরকার জানান, “আমরা আগেই পদক্ষের করতাম। তবে কালকে যেহেতু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন সেই কারণে আমরা আর দেরি করিনি। বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হয়েছে” (Municipality demolished a hotel for illegal construction)

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধমকের পর বেশ নড়েচড়ে বসেছে হুগলি জেলা প্রশাসনও। সপ্তগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত ত্রিবেণী, বাঁশবেড়িয়া ও ইসলামপারা হল্ট ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বর্ষায় জল জমে যাওয়ার সমস্যা রয়েচগে। এর ফলে এমন কাদাজলের মধ্যে ট্রেন ধরতে হয় যাত্রীদের, এমনটাই অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রীর ধমকানির পর এই জল জমে যাওয়া এলাকাগুলি সরেজমিনে পরিদর্শনে করেছেন রেল আধিকারিক, কেএমডিএ ও হুগলির প্রশাসনের কর্তারা।

RELATED Articles