বারুইপুরে দেখা দিল ভূতের উপদ্রব। তাও আবার এক পুলিশকর্মীর বাড়িতে। তাঁর পরিবারের দাবি, হঠাৎ করেই ঘরের বিভিন্ন অংশে জ্বলে উঠছে আগুন। কিন্তু এই আগুনের উৎস কি, তা জানা যায় নি। বারুইপুর থানার দ্বারস্থ পুলিশ কর্মীর পরিবার। আগুনের উৎস খুঁজতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজ্ঞানমঞ্চের সদস্যরা।
পরিবারের বক্তব্য, কখনও বিছানার গদি, কখনও চাদর বা দড়িতে ঝোলানো গামছা, হঠাৎ করেই জ্বলতে শুরু করে। এই আগুনের কোনো উৎস খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করছে পরিবারের। তাঁরা সকলেই আতঙ্কে আছেন। কোনো অশুভ শক্তির কুপ্রভাব পড়েছে কিনা তাও দূর করতে বাড়িতে পুজোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। সারাদিন ধরে সমস্ত দরজা জানলা বন্ধ রাখা হচ্ছে।
পরিবারের এক মহিলা সদস্য জানান, ‘যেখানে সেখানে আগুন লেগে যাচ্ছে। ধরুন গামছা ঝুলছে তাতে আচমকাই আগুন লেগে যাচ্ছে। কখনও আবার পর্দায় আগুন লাগছে।’ আর একজনের কথায়, ‘এক ঘরে থাকার সময় অন্য ঘরে আগুন লেগে যাচ্ছে। এক সপ্তাহ ধরে বাড়িময় এমনই ঘটনা ঘটছে।’ বাড়ির কর্তা তথা ওই পুলিশকর্মী বলেছেন, ‘আচমকা আগুন লাগার জন্যই বেশি ভয়। যে কোনও মুহূর্তে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটেতে পারে। তবে রাতের দিকে মানে ৯টার পর থেকে কোনওদিন এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি।’
এই অদ্ভুতুড়ে ঘটনার সূত্র খুঁজতে ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন রাজ্যের বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা। তাঁদের মধ্যে একজন বলেছেন, ‘মনে হয় এসব কোনো মানুষের কাজ। কোনও এক উদ্দেশ্য নিয়ে এই কাজ করছে কেউ। সন্দেহের তালিকায় রয়েছে বাড়ির প্রতিটি সদস্য এমনকি খুব পরিচিত লোকেরাও। এই কান্ড চেনা পরিচিতের মধ্যেই কেউ করছে। বিভিন্ন পুড়ে যাওয়া জিনিসের নমুনা আমরা নিয়ে যাচ্ছি। তাতে কোনও রাসায়নিক আছে কিনা তা দেখব।’






