শুভেন্দু অধিকারীর দলবদলের সময় থেকেই ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছিলেন পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি।
গত বছর ডিসেম্বর মাসে দলীয় পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপির দিকে পা পর্যন্ত বাড়িয়ে ফেলেন জিতেনবাবু। শুভেন্দুর সঙ্গে বিজেপিতে যোগদানের পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বাবুল সুপ্রিয়-সহ একাধিক বিজেপি নেতার বিরোধিতায় সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এর পরই রাতারাতি নিজের ভুল বুঝতে পেরে পুরনো দলের সঙ্গে সমঝোতা করে ফেলেন তিনি। তবে হৃত মর্যাদা আর ফিরে পাননি। সম্পর্কের শীতলতাও কাটেনি।
আর এবার সেই জিতেন বাবুর বিরুদ্ধেই পাণ্ডবেশ্বর শহরের পর দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার পড়ল। বিধায়কের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। যদিও পোস্টারে জিতেন্দ্র তিওয়ারির নাম উল্লেখ করা ছিল না।
প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, আজ সকালে দুর্গাপুরের তিলাবনী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর পোস্টার দেখতে পায়। পোস্টারে জিতেন্দ্র তিওয়ারির নাম উল্লেখ না থাকলেও ওঁকেই উদ্দেশ্য করে যে এই পোস্টার লাগানো হয়েছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘বালি চোর, কয়লা চোর MLA আর নেই দরকার।”
এলাকায় এরকম পোস্টার পড়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই বেনামি পোস্টার গুলো কে বা কারা ছাপিয়েছে তা নিয়ে চলছে তদন্ত। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে যে, এই ঘটনার পিছনে বিজেপির হাত আছে। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপি জানিয়েছে, এটা ওদের অন্তর্দ্বন্দ্বের ফল।
যথারীতি, এই পোস্টারের দায় নিতে অস্বীকার করেছে তৃণমূল ও বিজেপি দু’দলই।
আর কি বলছেন স্বয়ং জিতেন বাবু? এই ঘটনার পর থেকে মুখে কার্যত কুলুপ এঁটেছেন তিনি।





