বিধানসভা ভোটের দামামা আজ ভালো করে বাজিয়ে দিয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী! কিছুদিন আগেই বাংলা দেখেছে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে গিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিমের ইলেকট্রিক স্কুটিতে চেপে। ফিরতি পথে নিজেই ধরেছিলেন ই-স্কুটির ‘হ্যান্ডেল’।
আর আজ রবিবাসরীয় দুপুরে মমতার ই-যান সওয়ারের প্রসঙ্গ তুলে রবিবার ব্রিগেডে খোঁচা দিলেন নরেন্দ্র মোদী। মমতার টালমাটাল ই-স্কুটিকে জুড়ে দিলেন নন্দীগ্রামে মমতার ভোটের লড়াইয়ের সঙ্গে।
এ দিন নরেন্দ্র মোদী বলেন,’দিন কয়েক আগে স্কুটি সামলাচ্ছিলেন দিদি। আমরা সবাই প্রার্থনা করছিলাম, আপনি কুশলে থাকুন। আপনি পড়ে গিয়ে যেনও আঘাত না পান। ভাগ্যিস সেদিন পড়ে যাননি! নইলে যে রাজ্যে স্কুটি তৈরি হয়েছে, সেই রাজ্যকেই শত্রু বলে দিতেন। স্কুটি দক্ষিণ ভারতে তৈরি হলে দক্ষিণ শত্রু হত। উত্তর ভারতে হলে উত্তর শত্রু হয়ে উঠত। তাই ভাল হয়েছে আপনি পড়ে যাননি। সুস্থ আছেন। কিন্তু ভবানীপুর যাওয়ার পরিবর্তে নন্দীগ্রামের দিকে কী করে ঘুরে গেল স্কুটি? আমি তো সকলের মঙ্গল চাই। কেউ যেন আঘাত না পান। কিন্তু, স্কুটি যখন নন্দীগ্রামে পড়তে চাইছে, তখন আমরা আর কী করব।’
শুভেন্দু পরবর্তী নন্দীগ্রামে মমতাই এবার নির্বাচনের মুখ ওই কেন্দ্রে। তেখালির সভায় তৃণমূল সুপ্রিমোর ঘোষণার পরই একুশের ভোটে নন্দীগ্রাম হয়ে উঠেছে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র। ওই সভায় প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেন তৃণমূল নেত্রী। তারপরই শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন,’দু’জায়গায় দাঁড়ানো যাবে না। আধ লাখ ভোটে হারাব মমতাকে।’
আরও পড়ুন –প্রকাশ হল বিজেপির প্রার্থী তালিকা, কারা কারা আছে এই তালিকায়, দেখে নিন-
প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় শুধু নন্দীগ্রামেই প্রার্থী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজেই বলেন, ‘আমি নন্দীগ্রামে লড়ছি। কথা দিলে কথা রাখি। ভবানীপুরের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।’ শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। শিশিরপুত্র দাবি করেছেন, ভবানীপুরে মমতা যত ভোটে হারতেন, তার তিনগুণ বেশিতে হারবেন।
বঙ্গ রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় সত্যি হচ্ছে সমস্ত আকর্ষণের মূল কেন্দ্রে নন্দীগ্রামই! আর যা বিলক্ষণ জানেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী l





