লোকসভা নির্বাচন প্রায় দোরগোড়ায়। ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ভোট। আর প্রথম দফাতেই বাংলার কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে রয়েছে ভোট। ফলে উত্তরবঙ্গে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচার। আজ, বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) দুজনেই কোচবিহারে নির্বাচনী সভা করেন। এদিনের সভায় মমতাকে কৃতজ্ঞতা জানান মোদী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কোচবিহারের মাথাভাঙায় সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জায়গা থেকে ঠিক ৫০ কিলোমিটার দূরে রাসমেলা ময়দানে সভা করেন নরেন্দ্র মোদী। সভার শুরুতেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানান তিনি।
মোদীর এই ধন্যবাদ জ্ঞাপনের কারণ কী?
এদিন সভায় মোদী জানান, “২০১৯ সালে যখন আমি এই ময়দানে প্রচার করতে এসেছিলাম, তখন এখানে মাঝখানে একটা বড় মঞ্চ বানিয়ে ময়দানের জায়গা ছোট করে দিয়েছিলেন, যাতে মোদীর কথা কেউ শুনতে না পারে। সেদিন আমি মমতাদিদিকে বলেছিলাম, ‘দিদি আপনি এটা করে ভুল করলেন, মানুষ জবাব দেবে, সেটাই হয়েছে।’ কিন্তু আজ মমতাদিদি সেরকম কিছুই করেননি। ময়দান ছেড়ে দিয়েছেন। আপনাদের সকলের মুখ আজ আমি দেখতে পারছি। বাংলার জনগণের মুখ দেখার জন্য কোনও বাধা না দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞতা জানাই”।
এদিন কোচবিহারে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক ও মনোজ টিগ্গার সমর্থনে সভা করেন মোদী। এদিন গ্যারান্টি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মোদী গ্যারান্টি দিয়েছে, ৩ কোটি ‘বোন’কে ‘লাখপতি দিদি’ বানানোর। নমো ড্রোন দিদি যোজনার মাধ্যমে মেয়েদের ড্রোন দিচ্ছি। ড্রোন পাইলট বানাচ্ছি। যাতে চাষের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হয়। বাংলার মেয়েদের আত্মনির্ভর বানাতে হবে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে বহু সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার বিকাশের জন্য নিরন্তর কাজ করেছে চলেছে”।
প্রসঙ্গত, জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটের আবহেই বাংলায় বেশ কিছু সভা করবেন নরেন্দ্র মোদী। রোড শো করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে আজকের কোচবিহারে মোদী ও মমতার এই জোড়া সভার দিকে লক্ষ্য ছিল সকলেরই। তারা কর্মীদের কীভাবে উদ্বুদ্ধ করে, তা দেখার আগ্রহ ছিল রাজ্যবাসীর।





