বিধানসভা নির্বাচনের আর বেশি বাকী নেই। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হলে বলে। এরই মধ্যে বাংলায় আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে কোমর বেঁধে লেগেছে বিজেপি। প্রত্যেক মাসেই রাজ্যে বেড়েছে কেন্দ্রীয় নেতা-মন্ত্রীদের আনাগোনা। বাংলাকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। সেই লক্ষ্যেই বাংলার মানুষের আবেগকে ধরে বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে গেরুয়া শিবির।
আজ, রবিবার হলদিয়ায় সভা করেন মোদী। এদিন সভামঞ্চে প্রথমেই বাংলার শাসকদলকে একহাত নেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয় নিয়ে ভাষণ শুরু করলেও, এরপর ফের বাংলাতেই ফেরত আসেন মোদী। শাসকদলকে বেশ ঝাঁঝালো আক্রমণ শানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও আনলেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, বাংলায় যথেষ্ট পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও কেন রাজ্যের যুবক-যুবতীরা চাকরি পায় না। যেন তাদের কাজের সন্ধানে রাজ্যের বাইরে চলে যেতে হচ্ছে।
সভা শুরু গোড়ার দিক থেকেই বাংলায় ভাষণ দেওয়া শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। তুলে ধরেন মেদিনীপুরের ইতিহাস। বলেন, “আমার প্রিয় মা-বাবা, ভাই-বোন, বন্ধুরা, মেদিনীপুরের এই পবিত্র মাটিতে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি”। এরপর ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন কে শহিদ মা মাতঙ্গিনী হাজরা, শহিদ ক্ষুদিরামের রক্তে রাঙা হয়েছে এই মাটি। এই মাটিতেই তৈরি হয় তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার। এরপর বিদ্যাসাগরের প্রসঙ্গ টেনে মোদী বলেন, এই মাটির বীর সন্তান বিদ্যাসাগর মহাশয় বাঙালিকে বর্ণপরিচয় উপহার দিয়েছেন।
এছাড়াও, এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে মোদী বলেন ভারতমাতার স্লোগান শুনলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেগে যান। পিএম কিষান সম্মান নিধি থেকে যে মমতা বাংলার কৃষকদের বিরত রেখেছেন, এও এদিনের সভায় ফের একবার মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।





