‘সিপিএমই চায়নি কোনও ছোটো দল সংসদে যাক…’, সিপিএম-আইএসএফের জোট না হওয়ায় বিস্ফোরক নওশাদ সিদ্দিকি

Naushad Siddiqui opened up about alliance with CPM: চলছে লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মিটেছে চতুর্থ দফার ভোট। আগামী ২০ মে রয়েছে পঞ্চম দফার ভোট। এই আবহে এবার ফের চর্চায় বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে আইএসএফের জোট না হওয়ার প্রসঙ্গ। আর এই নিয়ে তরজা শুরু সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম ও আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির মধ্যে (Naushad Siddiqui opened up about alliance with CPM)

বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে আইএসএফের জোট না হওয়ার বিষয়ে আইএসএফকেই দায়ী করলেন মহম্মদ সেলিম। তাঁর কথায়, তারা জোট করতে চাইলেও আইএসএফ বিধায়কের কারণেই সেই জোট হয়নি। এই মন্তব্যের পাল্টা দিয়ে আবার আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, সিপিএমই চায়নি আইএসএফের মতো ছোটো দল সংসদে যাক (Naushad Siddiqui opened up about alliance with CPM)

লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণার পর থেকেই বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে আইএসএফের জোট নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে তুমুল চর্চা শুরু হয়। ত্রিমুখী জোট হবে কী না, তা নিয়ে বেশ আলোড়ন পড়ে যায় রাজ্যে। জানা যায়, আইএসএফের ন্যূনতম চাহিদা অনুযায়ী সিপিএম আসন ছাড়তে রাজি হয়নি। এরপরই আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, বিমান বসু তথা বামেরা চায়নি বলেই এই জোট হয়নি (Naushad Siddiqui opened up about alliance with CPM)

জোট না হওয়ার কারণ জানিয়ে এবার মুখ খুললেন সিপিএমের মহম্মদ সেলিমও। এক সভায় তাঁর দাবী, “আইএসএফের তরফ থেকে কোনও ফোন আসেনি। বামফ্রন্টের চেয়ারম‌্যান বিমান বসু দুমাস ধরে ফোন করেছেন”। সেলিমের কথায়, “আমি নওশাদকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করেছিলাম। কোন আসনে তারা লড়বে জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোনও রিপ্লাই আসেনি। সব রেকর্ড আছে, এখানে এসে গুজব ছড়ালে হবে না”।

সেলিম আরও জানান, “প্রথমে ২২টি আসন চেয়েছিল আইএসএফ। তা থেকে কমে ১০ আসনে নামে। আমরা বলেছিলাম ৬টি আসন দেব। কিন্তু আইএসএফ তাতে রাজী হয়নি” (Naushad Siddiqui opened up about alliance with CPM)। পাশাপাশি নওশাদকে কটাক্ষ করে সেলিম বলেন, “মিডিয়া কাউকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখাল, আর সে ভাবল আমি বড় নেতা হয়ে গিয়েছি”।

অন্যদিকে আবার নওশাদ এই বিষয়ে বলেন, “জোটের স্বার্থে শেষপর্যন্ত আমরা ৭টি আসনে রফা করতে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু ওরা চায়নি আইএসএফের মতো নতুন দল পার্লামেন্টে যাক। জোটের স্বার্থে আমরা বারবার আলিমুদ্দিনে গিয়ে মিটিং করেছি। কিন্তু আলিমুদ্দিনের কর্তারা কখনও আমাদের কার্যালয়ে আসেননি” (Naushad Siddiqui opened up about alliance with CPM)

বলে রাখি, সেলিম যদিও দাবী করছেন যে তিনি ও তাঁর দল আইএসএফের সঙ্গে জোট করার পক্ষে ছিলেন। কিন্তু অন্দরের খবর, বামেদের একাধিক শরিক দলই চায়নি যে এই জোট হোক। কংগ্রেসও এই জোটের বিরোধিতা করে। 

RELATED Articles