ধীরে ধীরে শীত পড়তেই শুরু করেছিল বঙ্গে। বেশ ভালো শীতের আমেজ উপভোগ করছিল বঙ্গবাসী। তাপমাত্রা কমে বেশ মনোরম আবহাওয়া। কিন্তু এরই মধ্যে এল দুর্যোগের বার্তা। ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। এর জেরে বাংলায় কী হতে চলেছে, এখন সেই প্রশ্নই রাজ্যবাসীর মনে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সুমাত্রা উপকূল সংলগ্ন ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগর সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। সেটি আগামী শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হবে। এরপর সেটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে।
এই নিম্নচাপের অভিমুখ থাকবে তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার দিকে। ২৫ তারিখেই এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে আর তা ২৭ নভেম্বর আছড়ে পড়তে পারে তামিলনাড়ু উপকূলে। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘ফেঙ্গাল’। এর জেরে ২৫-২৭ নভেম্বর তামিলনাড়ু উপকূলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বাংলায় পড়বে কী না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
তবে এখন বাংলার নানান জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। যদিও মৎস্যজীবীদের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। তাদের ক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। রবিবার ও সোমবার দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকাতেও যেতে নিষেধ করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের।
দক্ষিণবঙ্গে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি বলে জানা গিয়েছে। তবে নতুন করে তাপমাত্রা আপাতত কমবে না বলেই জানাল হাওয়া অফিস। আগামী ৪-৫ দিন এমনই আবহাওয়া থাকবে বঙ্গে। জাঁকিয়ে শীতের জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে শীতবিলাসীদের।
আজ, শুক্রবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল, বৃহস্পতিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৪৮-৯৭ শতাংশ।





