বেশ গরমের মধ্যেই কেটেছে বঙ্গবাসীর বড়দিন। এবার বর্ষবরণও হবে গরমের মধ্যেই। কারণ দক্ষিণবঙ্গ থেকে উধাও শীত। ঠাণ্ডার দেখা মিলছে না। ফলে পৌষমাসে যখন হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা থাকার কথা, সেই সময় বেলার দিকে রীতিমতো ঘাম ঝরছে রাজ্যবাসীর। এরই মধ্যে আবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানাল হাওয়া অফিস।
কেন আবহাওয়ার এমন অবস্থা?
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বাংলাদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। আর এর জেরেই শীত উধাও বঙ্গে। উত্তর-পশ্চিমী শীতল হাওয়ার পরিবর্তে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। এই কারণে ডিসেম্বরের শেষেও দিনের বেলা গরম অনুভুত হচ্ছে। আগামী অন্তত আরও ৪ দিন এইরকমই থাকবে বলে জানাল হাওয়া অফিস।
দক্ষিণবঙ্গ উত্তুরে হাওয়ার দাপট নেই। জেলাগুলিতে স্বাভাবিকের তুলনায় ২-৪ ডিগ্রি উপরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কাকভোরে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দাপটও বজায় থাকবে।
তবে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে দার্জিলিং ও কালিম্পং। ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত পাহাড়ের উপরের দিকের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা প্রায় একইরকম থাকবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুর জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে বলে খবর। বছরের শুরুতে ফের তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিংয়ে। তবে বাকি জেলাগুলি মোটের উপর শুষ্ক থাকবে বলে জানা যাচ্ছে।
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, কলকাতার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ অনেকটাই বেশি। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৫ ডিগ্রি। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৫৫ থেকে ৯৫ শতাংশ। তবে আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী সাতদিন আবহাওয়ার পরিবর্তনের কোনও সম্ভাবনা নেই। জানুয়ারির প্রথম দিক থেকে শীত ফের ফিরলেও ফিরতে পারে।





