Nurse of R G Kar Talked About the Attack of yesterday: আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় বুধবার মধ্যরাতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান মহিলারা। আর জি করেও চলছিল প্রতিবাদ। সেই কর্মসূচির মধ্যেই আর জি করে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। ভাঙচুর করা হয় জরুরি বিভাগ। নষ্ট করা হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকার ওষুধ। এই হামলার জেরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সেখানকার নার্সরা। দুষ্কৃতীরা আজ আবার হামলার হুমকি দিয়ে গিয়েছে বলে খবর (Nurse of R G Kar Talked About the Attack of yesterday)।
গতকালের এই ভয়ঙ্কর হামলার কথা জানালেন এসএনসিইউ বিভাগের এক নার্স সঙ্গীতা (Nurse of R G Kar Talked About the Attack of yesterday)। তিনি বলেন, “এমারজেন্সি বিভাগের কর্মীরা এতটাই নিরাপত্তাহীন ছিলেন যে ভয়ঙ্কর উন্মত্ত লোকজন যখন ছুটে আসছে তখন পুলিশ তাদের বলেছে, দিদি আপনারা পালান। ওদের সঙ্গে এমারজেন্সির পুলিশও পালিয়েছে। ওরা দৌড়তে দৌড়তে ছ’নম্বর গেট দিয়ে অন ডিউটি ড্রেস পরা অবস্থায় মাঝরাতে আমার অফিসে আশ্রয় নিয়েছে”।
ওই নার্সের কথায়, “আমি কাকে নিরাপত্তা দেব? আমার নিজেরই তো নিরাপত্তা নেই। উন্মত্ত জনতা ওপরে চলে গেছে। ENT বিভাগের দরজা ভাঙচুর করেছে। প্রতি মুহূর্তে সমস্ত ওয়ার্ড থেকে কর্মীরা জানাচ্ছেন আমরা খুন অসুরক্ষিত। দুষ্কৃতীরা জানলা বেয়ে উঠেছে। বলছে, আজকে দেখে গেলাম, কাল ধর্ষণ করে রেখে যাব। মা-বোন-বাচ্চা কাউকে ছাড়ব না।আমি কর্মীদের কোনও নিরাপত্তা দিতে পারছি না। এজন্য আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত” (Nurse of R G Kar Talked About the Attack of yesterday)।
গতকালের ভাঙচুর নিয়ে সঙ্গীতা বলেন, “আমরা নিজেরা চোখে দেখেছি, এমার্জেন্সি পুরো ভেঙেচুরে শেষ করে দিয়ে গেছে। তার পরে ওপরে উঠছিল ওরা, ইএনটি বিভাগ পর্যন্ত উঠতে পারে, সেখানেও ভাঙচুর করে। চেস্ট ডিপার্টমেন্ট অবধি যাওয়ার চেষ্টা করছিল, পারেনি। ওদের যারা আটকেছিল তারা কেউ পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী নয়। ডাক্তার, ছাত্ররাই আটকেছিল” (Nurse of R G Kar Talked About the Attack of yesterday)।
ওই নার্সের কথায়, চক্রান্ত করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, “এরকম যে হবে তার আঁচ পাইনি। কিন্তু পরিকল্পনা না হলে এত মানুষ কী ভাবে একসঙ্গে আসে”?
বলে রাখি, গতকাল শুধুমাত্র আর জি করের জরুরি বিভাগ বা চিকিৎসকদের উপরেই নয়, হামলা হয়েছে পুলিশের উপরেও। হাসপাতালের বাইরে থাকা পুলিশের গাড়ি উল্টে দেওয়া হয়। একাধিক পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হন এই ঘটনায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে, র্যাফও নামানো হয়েছিল।





