শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে আজ রাজ ভবনে গিয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব। সেখানেই খোলা বারান্দায় শুভেন্দুদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এদিনের সেই আলোচনা চক্রে রীতিমতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা হয়।
সেইসঙ্গে সবথেকে বেশি নজর কাড়ে খোলা বারান্দায় রাজ্যপালের বৈঠক। রাজ্যের প্রধান বিরোধীদলের সঙ্গে এইভাবে খোলা বারান্দায় বৈঠক নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে।
আরও পড়ুন:যাহ! ফিরতে চাই, দাবিতে শাসকদলের কার্যালয়ের সামনে কেঁদে ভাসাচ্ছেন তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি সমর্থকরা
বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী অবস্থায় বাংলার রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে আজ ফের সরব হয়েছেন রাজ্যপাল। সোমবারের বৈঠকে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে রাজ্যপাল বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র দফতরেরও প্রধান। সংবিধানে হাত রেখে শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে ওঁকে। আইন মেনে কাজ করতে হবে।”
সেইসঙ্গে আজকের বৈঠকে, নারদ-কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেখানেও মমতার আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করেন ধনখড়। তাঁর মতে, সিবিআই-এর কাছে মমতা যে ভাবে “আমাকেও গ্রেফতার করুন” বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, গণতান্ত্রিক দেশে এই ঘটনা নজিরবিহীন।
আরও পড়ুন:পেটে খিদে মুখে লাজ দশা মিহির গোস্বামী’র! বিজেপিতে থাকতে হবে বুঝেই কটাক্ষ মুকুলকে
তবে এদিন রাজ্যপাল একা নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তাঁর প্রাক্তন সৈনিক তথা অধুনা রাজ্যের প্রধান বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের মন্তব্যে তিনি বলেন, “যদি কেউ ভেবে থাকেন ক্ষমতার দম্ভে বাংলায় বিরোধীদের শেষ করবেন, তা হলে ভুল করবেন। ভোট মিটে যাওয়ার এক মাস ১২ দিন পরেও ১৭ হাজারেরও বিশে বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া। ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা আদালতে যাব”।





