আগেরদিন কলকাতা হাইকোর্টে মেট্রো ডেয়ারির মামলায় শুনানির দিন কংগ্রেসপন্থী আইনজীবীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। এর কারণে এবার ভারচুয়ালি কোর্টের শুনানিতে অংশ নিলেন আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম। তবে আদালতে না এলেও তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলে এদিনও চিদম্বরমের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান আইনজীবীদের একাংশ।
বর্তমানে হাইকোর্টের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে বা ৬৫ বছর বয়সের আইনজীবীরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন জানাতে পারেন। পি চিদম্বরমও সেই সুবিধাই নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
আজ, বৃহস্পতিবার মেট্রো ডেয়ারির শেয়ার বিক্রি সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যকে নানান নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ১৬ই মে-র মধ্যে সমস্ত নথি জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে।
মামলাকারী কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীর দাবী, মেট্রো ডেয়ারির শেয়ার বিক্রিতে অস্বচ্ছতা রয়েছে আর তা শেয়ার বিক্রির বিজ্ঞাপন দেখলেই স্পষ্ট হবে। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত একটি চিঠি ছাড়া আর কিছুই জমা করেনি রাজ্য সরকার। অধীর চৌধুরীর হয়ে এই মামলা লড়ছেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।
প্রসঙ্গত, মেট্রো ডেয়ারির শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ ছিল যে জলের দরে সিঙ্গাপুরের সংস্থা কেভেন্টার্সকে মেট্রো ডেয়ারির ৪০ শতাংশ অংশ বিক্রি করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। এত টাকা ক্ষতি করে কেন এভাবে শেয়ার বিক্রি করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অধীর চৌধুরী। এই মামলায় সিবিআই তদন্তের দাবীও জানান তিনি।
এই মামলায় রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন পি চিদম্বরম। এর জেরে কোর্ট চত্বরে তাঁকে ঘিরে ‘তৃণমূলের দালাল’ বলে তুমুল বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেসপন্থী আইনজীবীরা। কংগ্রেস পন্থী আইনজীবীদের নেতা কৌস্তভ বাগচির দাবী, রাজ্য সরকারের হয়ে মামলা লড়ে রাজ্যের হাজার হাজার কংগ্রেস কর্মীকে আঘাত দিয়েছেন চিদম্বরম।





