নিয়োগ দুর্নীতির (recruitment scam) জেরে গত বছরের জুলাই মাস থেকে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। এরপর থেকে বারবার দলের প্রতি নিজের আনুগত্য দেখিয়েছে পার্থ। দল তাঁকে দূরে সরিয়ে দিলেও সবসময় তিনি দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে এবার দলের প্রতি অভিমান উগড়ে দিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী।
নিয়োগ দুর্নীতির দায় গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল যুব নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুন্তল ঘোষকে। তাদের কেন দল থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে না, তা নিয়ে নানান মহলে প্রশ্ন উঠতে থাকে। তৃণমূল এতদিন সেসব নিয়ে সাফাই দিচ্ছিল। তবে সম্প্রতি ওই দুই যুব নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল।
এই নিয়ে নিজের ঘনিষ্ঠ মহলে মুখ খুললেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন শান্তনু-কুন্তলকে বহিষ্কার করতে এতটা দেরি করা হল কেন? উল্লেখ্য, পার্থকে গ্রেফতার করার কিছুদিনের মধ্যেই তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল। তবে কুন্তল ও শান্তনুর ক্ষেত্রে কিছুটা সময় লেগেছে। অন্যদিকে, আবার গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত অনুব্রত মণ্ডলকে এখনও বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে সরায় নি তৃণমূল। সব মিলিয়েই দলের প্রতি বেশ গোঁসা হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীর।
অন্যদিকে, গত বুধবার কলকাতার মেয়র তথা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, তিনি এই ‘পার্থদাকে’ চেনেন না। পরিচিত মহলের মধ্য়ে এনিয়েও মুখ খুলেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, “ববি আমাকে না চিনলেও আমি ববি ও ববির পরিবারকে চিনি”।
পদে পদে দলের প্রতি তাঁর অভিমান ঝড়ে পড়েছে বলে খবর তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে। ইডি-র কাছে পার্থ এও দাবী করেছেন যে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ নেই। তিনি মন্ত্রী ছিলেন, নিয়োগকর্তা নন। কমিশন ও শিক্ষা পর্ষদের তরফে নিয়োগ করা হয়। তাই নিয়োগের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
এমনকি, ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি পার্থ এও দাবী করেছেন যে তিনি কোনও দুর্নীতিকে সমর্থন করেন না। পরিচিত মহলে পার্থ জানিয়েছেন, জামিন পাওয়ার পর তিনি আগে নিজের কেন্দ্রে যাবেন। এর পাশাপাশি আদালতকে তিনি এও আর্জি জানান যাতে পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে পাঁচ মিনিট কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!