দল তাঁর পাশে নেই, কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি বললেন, “দলের সঙ্গেই আছি আমি, দলের সঙ্গেই থাকব”। গ্রেফতারির পর এই প্রথমবার দলের উদ্দেশে কোনও বার্তা দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হওয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর এই ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা নিয়ে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি করেছে রাজ্য-রাজনীতিতে।
তৃণমূল যে পার্থর পাশে নেই, তা বেশ স্পষ্ট। তৃণমূলের মহাসচিব পদ থেকে বহিষ্কার করা হ্যছে পার্থকে। সমস্ত মন্ত্রিত্ব থেকেও পার্থকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের তরফে বলেই দেওয়া হয়েছে যে পার্থ যদি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণ করতে পারে, তবেই দল তাঁর পাশে থাকবে। এমনকি, তৃণমূলের নানান স্তরের নেতারাও পার্থর উদ্দেশে নানা কড়া বার্তা দিয়েছেন।
কিন্তু আবার তাৎপর্যপূর্ণভাবে অনুব্রতকে সমর্থন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। এর জেরে বিরোধীরা তোপ শানিয়ে বলে যে তৃণমূল নেত্রী ও দল পার্থকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে একেবারে। কিন্তু এসবের মধ্যেও পার্থ দলের পাশে থাকার বার্তাই দিলেন।
আজ, শনিবার প্রেসিডেন্সি জেলে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএমে। সেখানে চিকিৎসার পর প্রেসিডেন্সি জেলে ঢোকার সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন যে দলের সম্পর্কে তাঁর অবস্থান কী। সেই প্রশ্নের জবাবে পার্থ স্পষ্ট করে বলে দেন, “আমি আগেও বলেছি, আমি দলের সঙ্গে আছি, দলের সঙ্গেই থাকবে”। অর্থাৎ এটা বেশ স্পষ্ট যে দল পার্থর পাশ থেকে সরে গেলেও তিনি কিন্তু হয়ত ভবিষ্যতের কথা ভেবেই দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছেন।
এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতারি হওয়ার পর বশ কিছুদিন কোনও মন্তব্য করেন নি পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে জোকা ইএসআই-তে শারীরিক পরীক্ষা করাতে যাওয়ার সময় পার্থ বলেছিলেন যে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। আবার একবার তিনি বলেছিলেন, “সময়ে সব প্রমাণ হবে। কেউ ছাড়া পাবে না”।





