আর ভার্চুয়াল হাজিরা নয়, এবার সশরীরে আদালতে গিয়েই হাজিরা দিতে চান নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নিজের আইনজীবী মারফৎ এমনটাই জানিয়েছেন পার্থ।
গতকাল, মঙ্গলবার প্রেসিডেন্সি জেল থেকেই ভারচুয়ালি শুনানিতে অংশ নেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেখানে বিচারকের কাছে কিছু বক্তব্য রাখেন তিনি। নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানান পার্থ। আদালত তাঁকে ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ১৯শে এপ্রিল পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
এদিন শুনানি চলাকালীন পার্থ জানান যে তাঁর শারীরিক অবস্থা ঠিক নেই, পা ফুলেছে। এমনকী তিনি এদিন বলেন, “যদি মরেই যাই, তাহলে আর কী বিচার”। পার্থর মুখে এমন কথা শুনে তাঁর চিকিৎসার আশ্বাস দেন বিচারক।
এরপরই বিচারক জানতে চান যে পার্থর কিছু বলার আছে কী না। তিনি আদালতে হাজির হয়ে কিছু বলতে চান কি না। আইনজীবী মারফৎ পার্থ জানিয়েছেন, তাঁর কিছু বলার আছে।
কী এমন বলার থাকতে পারে পার্থর যার জন্য জেল থেকে বেরিয়ে তিনি আদালতে সশরীরে উপস্থিত থাকতে চাইছেন? তাহলে কী বিশেষ কারোর নাম সামনে আনতেই এই সিদ্ধান্ত পার্থর? ঠিক কী বলবেন তিনি? এমন নানান প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে যখন একের পর এক গ্রেফতারি হচ্ছে, তখন পার্থর এমন সিদ্ধান্ত বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
তবে আবার ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মত, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্যই কী সামনে আসতে চাইছেন পার্থ? হয়ত নিজের শারীরিক অবস্থাটা সামনে এসে দেখাতে চাইছেন তিনি। তবে পার্থর কোনও বক্তব্যের পর তদন্ত আবার অন্যদিকে মোড় নেবে না তো? এখন এই একটা প্রশ্নই উঠছে বারবার।





