বাংলায় চলছে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রা। আজ, রবিবার জলপাইগুড়ি শহরে প্রবেশ করেছে সেই ন্যায় যাত্রা। কংগ্রেসের এই কর্মসূচিকে ঘিরে ভালোই উন্মাদনা চোখে পড়েছে জলপাইগুড়ি শহরে। এরই মধ্যে রাহুলের এই ন্যায় যাত্রার মধ্যেই স্লোগান উঠল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে।
আজ, রবিবার রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রাকে ঘিরে দারুণ উত্তেজনা ছিল জলপাইগুড়ি শহর জুড়ে। রাস্তার ধার, বাড়ির ছাদে ভিড় জমিয়েছিলেন মানুষজন। এদিন রাহুলের সঙ্গে ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। মিছিলে দেখা যায় কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশকেও। আর ন্যায় যাত্রাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখার দাবী উঠল। নিজের বাড়ির বারান্দা থেকে এক ব্যক্তি একটি পোস্টার হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তাতে লেখা, “দিদিকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাই”।
বাংলায় রাহুল গান্ধীর এই ন্যায় যাত্রাকে ঘিরে বেশ ভালোই চড়েছে রাজনৈতিক পারদ। এই যাত্রার আগেই জলপাইগুড়ি শহরে লাগানো রাহুল গান্ধীর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়। এমনকি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছেন যে লোকসভা ভোটে বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে আসনের কোনও সমঝোতা করবে না তৃণমূল। ফলে ইন্ডি জোটে মমতার অবস্থান নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।
এমনিতে ইন্ডি জোটের স্থায়িত্ব নিয়ে কম আলোচনা হচ্ছে না। আজ, রবিবারই ইন্ডি জোটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন নীতীশ কুমার। ফের একবার এনডিএ জোটে যোগ দেবেন তিনি। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এভাবে জেডিইউ-র আরজেডি ও কংগ্রেসের হাত ছাড়ার ফলে যে ইন্ডি জোটের ঐক্যে বেশ বড় ধাক্কা লেগেছে, তা বলাই বাহুল্য।
এসবের মধ্যেই আবার সাম্প্রতিক অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে ইন্ডি জোট নিয়ে খুব একটা কোনও বার্তা শোনা যায়নি। এমনকি, ইন্ডি জোটে সিপিএম ও কংগ্রেসকে নিয়ে অভিযোগও শোনা গিয়েছিল তাঁর গলায়। এর ফলে তৃণমূলের সঙ্গেও ইন্ডি জোটের সম্পর্ক কতটা অটুট রয়েছে, তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। এ নিয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও জয়রাম রমেশের এই বিষয়ে টিপ্পনী, “লোকে ইন্ডি জোটের প্রতিনিধিকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছেন”।





