আজ, মঙ্গলবার ধর্মতলা চত্বরে মানুষের ঢল। একদিকে রেড রোডে চলছে রাজ্য সরকারের তরফে আয়োজিত পুজোর কার্নিভাল, অন্যদিকে রানি রাসমনি রোডে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরসের দ্রোহের কার্নিভাল। চলছে জুনিয়র চিকিৎসকদের মানববন্ধনও। এই মানববন্ধনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে।
এদিন রানি রাসমনি রোডে দ্রোহের কার্নিভালে প্রথমে অনুমতি দেয় নি পুলিশ। পুজোর কার্নিভাল রয়েছে, ফলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ার কারণ দর্শিয়ে দ্রোহের কার্নিভালের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সেই এলাকায় সকালে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেয় পুলিশ।
পুলিশের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। হাইকোর্টের তরফে দ্রোহের কার্নিভালের অনুমতি মেলার পরই শুরু হয় এই কার্নিভাল। কিন্তু অভিযোগ, মানববন্ধন চলাকালীন সেই কর্মসূচিতে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় ও নানান পদস্থ পুলিশ কর্তারা।
এদিন এই মানববন্ধনে যোগ দিয়েছিলেন নাগরিক সমাজও। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ডিসি সেন্ট্রাল আমজনতাকে কিছু বলেন বলে অভিযোগ। আর তাতেই ক্ষেপে যায় জনতা। ডিসি সেন্ট্রাল-সহ পুলিশ কর্তাদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে সাধারণ মানুষ। গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হ্যতাদের।
এমন পরিস্থিতি দেখে পুলিশের উদ্ধারে আসেন সেই আন্দোলনরত চিকিৎসকরাই। তারা মানবশৃঙ্খল তৈরি করে পুলিশের কর্তাদের সাধারণ মানুষের মধ্যে থেকে দূরত্ব তৈরি করে নিয়ে যান। এই বিষয়ে পুলিশের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এই ঘটনায় আন্দোলনরত চিকিৎসকদের দাবী, “ আমরা কোনও অশান্তি চাইছি না। আমাদের মূল দাবি নির্যাতিতার বিচার। সেই বিচারের দাবিতে হওয়া আন্দোলনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে আন্দোলন প্রভাবিত হতে পারে। সেটা আমরা হতে দেব না”।






