আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে আজ, মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। এই মিছিল নিয়ে শহরে উত্তেজনা তুঙ্গে। পুলিশ এই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। তবে কর্মসূচি যে হচ্ছেই, তা স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কলেজ স্কোয়ার ও সাঁতরাগাছি থেকে দুটি মিছিল বেরিয়ে এগোবে নবান্নে দিকে। আর এই দুই রুটগুলিকেই আটকে দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রয়েছে নবান্ন ও সংলগ্ন এলাকা। নানান জায়গায় গার্ডরেল দিয়ে রাস্তা আটকে দাঁড়িয়ে লাঠিধারী পুলিশ। নবান্নের সামনে রয়েছে র্যাফ, কমব্যাট ফোর্স। নবান্নের চারিদিকে এদিন সকাল থেকেই টহল দিচ্ছেন হাওড়ার পুলিশ কমিশনার প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী। নবান্নের আশেপাশের গলিতেও কড়া নজরদারি। মিছিল যাতে ছোটো ছোটো ভাগে ভাগ নবান্ন চত্বরে পৌঁছতে না পারে, সেই কারণে প্রধান সড়ক ছাড়া গলিতেও চলছে কড়া নজরদারি।
আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকেই পুলিশ মোতায়েন এজেসি বোস রোড ও দ্বিতীয় হুগলি সেতু সংযোগকারী সমস্ত রাস্তায়। স্টিলের গার্ডরেল রয়েছে। কলকাতা থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতুর দিকে আসা সব রাস্তাতেই পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। দ্বিতীয় হুগলি সেতু ও সংলগ্ন রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে আজ। বিকল্প রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যারা দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে কাজে যান, তারা আজ দুর্ভোগে পড়বেন।
হাওড়া ময়দান দিয়েও নবান্নের দিকে যাওয়া যেতে পারে ফলে সেখানেও রয়েছে ব্যারিকেড। ৭ ফুট উঁচু উঁচু গার্ডরেল নাট-বলটু দিয়ে জুড়ে জুড়ে তৈরি দুর্ভেদ্য প্রাচীর। সামনে রাখা বালির বস্তা। লোহা দিয়ে মাটির সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আটকে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে ওঠার রাস্তায় লোহা ও বাঁশের ব্যারিকেড।
জানা গিয়েছে, আজ, মঙ্গলবার ভোর ৪টে থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত, দ্বিতীয় হুগলি সেতু এবং র্যাম্প, খিদিরপুর রোড, তারাতলা রোড, ডায়মন্ড হারবার রোড, গার্ডেনরিচ রোড, হাইড রোড, রিমাউন্ট রোড-সহ কয়েকটি রাস্তায় পণ্যবাহী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এদিকে মধ্য কলকাতার জওহরলাল নেহরু রোড, রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ, রেড রোড, মেয়ো রোড, আউট্রাম রোড, খিদিরপুর রোড, হসপিটাল রোড, লাভার্স লেন, কুইন্স ওয়ে, ক্যাথিড্রাল রোড, এজেসি বোস রোড-সহ আরও কয়েকটি রাস্তায়, পণ্যবাহী যান চলবে না বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ।





